প্রকাশ: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম (ভিজিট : ১)

X
ছবি : প্রতিনিধি
বিশ্বজুড়ে ঐক্য গড়ি, হাতির জীবন রক্ষা করি'-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নানা আয়োজনে বিশ্ব হাতি দিবস পালিত হয়েছে। এ সময় দিবসটি উপলক্ষে বাঁশখালীতে হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৫ জন কৃষকের মধ্যে মোট ১৯ লাখ ১৫ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করা হয়।
বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টায় নাপোড়া-শেখেরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে হাতি সংরক্ষণ প্রকল্পের অর্থায়নে চট্টগ্রাম বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের উদ্যোগে দিবস উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
এ সময় আলোচনা সভায় বাঁশখালী জলদি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা ইসরাইল হকের সঞ্চালনায়, বণ্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য্যের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সরকারি আলাওল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, নাপোড়া শেখেরখীল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজোল প্রাণি-সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. জুলকারনাইন শাওন, চাম্বল বিট কর্মকর্তা দিদার, নাপোড়া বিট কর্মকর্তা অঞ্জন কান্তি বিশ্বাস, পুইছুড়ি বিট কর্মকর্তা কামরুল হাসান প্রমুখ।'
সভাপতির বক্তব্যে বণ্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য্য বলেন, 'ভৌগোলিকভাবে সংরক্ষিত বন ও লোকালয় কাছাকাছি হওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকার অনেক মানুষ বনের জমিতে বসতি স্থাপন করার কারণে হাতি নিধন হচ্ছে। যার কারণে হাতির বাসস্থান রক্ষায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং হাতির খাদ্য উপযোগী বাগান তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।'
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, সংরক্ষিত বনে মানুষের বসতি গড়ে ওঠায় হাতির চলাচলের পথ বন্ধ ও আবাসস্থল সংকুচিত হয়েছে। খাবারের সন্ধানে হাতি লোকালয়ে চলে আসছে। হাতিকে রক্ষা করতে না পারলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হবে। হাতির বিচরণক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। হাতির নিরাপদ আবাসস্থল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।'#