
X
এমপি ফখর উদ্দিন
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো খাতে একাধিক উন্নয়ন উদ্যোগ এবং নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ময়মনসিংহের ভালুকায় বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাতীয় সংসদ সদস্য মো. ফখর উদ্দিন আহমেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, দলীয় ও সরকারি কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৃষিবান্ধব প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষা খাতে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসায় তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ভালুকা সরকারি কলেজ ও সোনার বাংলা ডিগ্রি কলেজে অনার্স কোর্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি কারিগরি স্কুল ও একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদনও মিলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
একই সঙ্গে উপজেলার একটি দাখিল মাদরাসা ও দুইটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলমান। শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষক ও শিক্ষানুরাগীদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়ও করা হচ্ছে।
কৃষি খাতে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে অনেক কৃষক সেচব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কারের কাজও চলমান রয়েছে।
মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন সংসদ সদস্য। তিনি প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
স্বাস্থ্য খাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান এবং অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসাসহায়তার বিষয়টিও স্থানীয়দের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে।
এদিকে কর্মজীবী নারীদের জন্য সরকারি মহিলা হোস্টেল ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সংসদ সদস্যের নিয়মিত গণসংযোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সংসদ সদস্য মো. ফখর উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো খাতের সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে ভালুকাকে একটি আধুনিক ও কর্মসংস্থানমুখী উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, উপজেলার পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, আধুনিক শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে আরও নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে।