খুলনায় মরিচের বাম্পার ফলন

খুলনা প্রতিনিধি

সারাবাংলা

মরিচ মসলা জাতীয় ফসল। এতে রয়েছে ভিটিামিন সি ও পুষ্টিগুন। জাত ভেদে প্রতিশতকে ফলন ৪০-৪৫কেজি। মরিচ শুকানোর পর

2024-03-14T12:15:22+00:00
2024-03-14T12:15:22+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
খুলনায় মরিচের বাম্পার ফলন
খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪, ১২:১৫ পিএম   (ভিজিট : ১৪৩)
X

মরিচ মসলা জাতীয় ফসল। এতে রয়েছে ভিটিামিন সি ও পুষ্টিগুন। জাত ভেদে প্রতিশতকে ফলন ৪০-৪৫কেজি। মরিচ শুকানোর পর ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে ঠান্ডা করতে হয়। নিরাপদ পাত্রে সংরক্ষণ সংরক্ষণ করা হয়। যাতে অনেক দিন ভালো থাকে।

খুলনা কৃষি অঞ্চলে চলতি রবি মৌসুমে (শীতকালিন) মরিচ উৎপাদন বাম্পার হয়েছে। আবাদ কম হলেও ফলন ভালো হয়েছে। এই মৌসুমে উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে ২৯৬০মেট্রিকটন। কৃষক ভালো দামে বিক্রি করছেন। 

সূত্র জানিয়েছেন, কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের ৪জেলায় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১২৭৩ হেক্টর। আবাদ হয়েছে ১২৪৫ হেক্টর। কম আবাদ হয়েছে ২৮হেক্টর। মৌসুম শুরু হওয়ার সময় বৈরী আবহাওয়া থাকার কারণে আবাদ একটু কম হয়েছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন বাম্পার হয়েছে। ফসল কর্তন চলমান রয়েছে। 

কৃষি অঞ্চলের মধ্যে খুলনা জেলায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৩৭হেক্টর। আবাদ করা হয়েছে২৪৬হেক্টর। উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে ৫৯৩ মেট্রিকটন। বাগেরহাট জেলায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯১হেক্টর। আবাদ করা হয়েছে ৩৬৮হেক্টর। উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে ৯৪৮ মেট্রিকটন।

সাতক্ষীরা জেলায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২০ হেক্টর। আবাদ করা হয়েছে ৪০৪ হেক্টর। উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে ৭৯৮ মেট্রিকটন এবং নড়াইল জেলায় আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২৫ হেক্টর। আবাদ করা হয়েছে ২২৭ হেক্টর। উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে ৬২১ মেট্রিকটন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহন কুমার ঘোষ বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। লক্ষ্যমাত্র পূরণ হবে। বসত বাড়ির আঙ্গিনায় মচির গাছ লাগানো যেতে পারে। কেউ ২০টি গাছ লাগালে তার সরা বছর মরিচ কেনা লাগেনা। পানের বরজেও সারা বছর মরিচ হয়।এই মরিচের রয়েছে সুগন্ধ। তিনি সকলকে মরিচ গাছ লাগানোর আহবান জানান। মরিচ শুকানোর পর ছায়াযুক্ত স্থানে ঠান্ডা করতে হবে। 

ছয় মাস হতে ১বছর পর্যন্ত মরিচ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে টিনের পাত্র, পলিব্যাগ, মাটির পাত্র, ডুলি বা বস্তার ব্যাগ ব্যবহার করা হয়। দ্বিস্তরবিশিষ্ট পলিথিনের ব্যাগ ও টিনের পাত্রে পলিথিন দিয়ে মরিচ রাখলে রং ও গুনগত মান ভাল থাকে। সংরক্ষিত মরিচ মাঝে মাঝে রোদে দিলে ভাল থাকে। মরিচ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বোটা যেন মরিচ থেকে আলাদা না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy