রবিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
রবিবার ৩০ নভেম্বর ২০২৫
দুর্নীতির পৃথক মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৫২ PM

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক ৩ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

একটি মামলায় শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের ১৮ বছরের কারাদণ্ড ও রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রায় ঘোষণা করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শেখ হাসিনাকে প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনো আইনগত নিয়ম মানা হয়নি। তার হলফনামার নোটারি সিলও ছিল না, যা আদালত জাল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্লট দুর্নীতির মামলায় জয় ও পুতুলের ৫ বছরের কারাদণ্ডপ্লট দুর্নীতির মামলায় জয় ও পুতুলের ৫ বছরের কারাদণ্ড
রায়ের সময় আদালতে হাজির ছিলেন মামলার একমাত্র গ্রেপ্তার আসামি রাজউকের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন দুদকের আইনজীবীরাও।

এই মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয় ২৩ নভেম্বর। এরপর আদালত রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেন। পৃথক তিনটি মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৪৭ হলেও ব্যক্তি হিসাবে এটি ২৩ জন।

অপর ২০ আসামি হলেন- সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) শফি উল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, রাজউকের সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) নায়েব আলী শরীফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) কবির আল আসাদ, সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) তন্ময় দাস, সদস্য (এস্টেট ও ভূমি) মো. নুরুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-২) শেখ শাহিনুল ইসলাম, পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) মো. কামরুল ইসলাম, উপপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, উপপরিচালক হাবিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মাদ সালাউদ্দিন। এদের মধ্যে একমাত্র মোহাম্মদ খুরশীদ আলম গ্রেপ্তার ছিলেন।

আদালতে ১৭ নভেম্বর এই তিন মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। এর আগে ৩১ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়েছিল। মামলাগুলোতে একটি মামলায় ১২ জন, অন্যটি ১৭ জন ও বাকি একটি মামলায় ১৮ জন আসামি ছিলেন।







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক:
মো. আশরাফ আলী
কর্তৃক এইচবি টাওয়ার (লেভেল ৫), রোড-২৩, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২।
মোবাইল : ০১৪০৪-৪০৮০৫২, ০১৪০৪-৪০৮০৫৫, ই-মেইল : thebdbulletin@gmail.com.
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত