এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ কিশোরগঞ্জ শহরের বড়বাজার থেকে সৌরভ চক্রবর্তী (২২) নামে এক জুয়েলারি দোকানের কর্মচারীর এখনও খোঁজ খুজঁ মিলেনি। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই দুশ্চিন্তায় দিন পার করছে সৌরভের পরিবার।
নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের রুদারপোড্ডা গ্রামের স্বর্গীয় সঞ্জিত চক্রবর্তীর ছেলে সৌরভ চক্রবর্তী গত ২২ নভেম্বর থেকে নিখোঁজ। এই বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (নং ১৪৬৮) করা হয়েছে। জেলা সদরের বড় বাজারের জহুরা জুয়েলার্সের কারিগর বত্রিশ বিন্নগাঁও এলাকার তাপস রায় (৪১) ২৪ নভেম্বর সাধারণ ডায়েরিটি করেছেন।
তাপস রায় ডায়রিতে লিখেছেন, সৌরভ তিন বছর ধরে তার বাসায় থেকে জহুরা জুয়েলার্সে কাজ শিখছিলেন। ২২ নভেম্বর বিকাল ৪টার দিকে কাউকে না বলে সৌরভ কোথায় যেন চলে গেছেন। এরপর সম্ভাব্য সকল স্থানে ও আত্মীস্বজনের বাড়িতে খুঁজে তাকে পাওয়া যায়নি।
সৌরভের মা নমিতা চক্রবর্তীর সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, সৌরভ বাড়িতেও যাননি। ফলে ২৪ নভেম্বর সদর থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়েছে।
তাপস রায়কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, জুয়েলার্সের মালিক খাইরুল ইসলাম। তাপস রায় সেখানে কারিগর হিসেবে কাজ করেন। সৌরভ তার কাছে কাজ শিখতেন। ঘটনার দিন সৌরভ দোকানে আসার সময় সৌরভেকে পকেটে কি জিজ্ঞেস করলে সৌরভ তার সাথে বাজে ভাষায় কথা বলে এরপর তাপস রায় সৌভরের গালে একটা চড় দিলে সৌরভ চাবি রেখে চলে যায়। তারপর খুঁজাখুঁজি করে আর পাওয়া যাচ্ছে না। পরে তার বড় ভাইকে মুঠোফোনে জানানো হয়। পরে তাপস রায় শুক্রবারও থানায় গিয়ে সৌরভের বিষয়ে ওসির সাথে কথা বলেছেন।
সৌরভের বড় ভাই সুব্রত চক্রবর্তী জানান, তার ভাইয়ের এভাবে চলে যাওয়ার বিষয়টি কিছুই বুঝতে পারছেন না। বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। সৌরভের মা সবসময় কান্নাকাটি করছেন। তিনি সৌরভকে ফিরে পেতে চান।
কিশোরগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ মাঠে কাজ করছেন।