আমতলীতে ডেঙ্গুতে শিক্ষিকার মৃত্যু, জেলায় মোট প্রাণহানি ৬৬

    
শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১০ মাঘ ১৪৩২
শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
আমতলীতে ডেঙ্গুতে শিক্ষিকার মৃত্যু, জেলায় মোট প্রাণহানি ৬৬
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:২৯ PM (Visit: 390)

শীতের প্রভাব শুরু হওয়ায় বরগুনায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে কমে এলেও মৃত্যুর মিছিল থামেনি। সর্বশেষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোসা. শিউলি আক্তার (৫০) নামের এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে জেলায় ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬ জনে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকার মতিঝিলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি বরগুনার আমতলী উপজেলার ৫ নম্বর চাওড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বৈঠাকাঠা গ্রামের খাঁন বাড়ির বাসিন্দা। তিনি মৃত আজাহার মাস্টারের মেয়ে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ ডিসেম্বর জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিনি ঢাকার মতিঝিলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হলে ১৬ ডিসেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এরপর ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শিউলি আক্তার কলাপাড়া উপজেলার আলীপুর এলাকার সেরাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার স্বামী মো. মঈনুল হক খান আলীপুর খানাবাদ কলেজের প্রভাষক। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে (১৬) ও এক মেয়ে (১৩) রেখে গেছেন।বরগুনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে আমতলীতে ২ জন, বামনায় ৪ জন এবং পাথরঘাটায় ১ জন রয়েছেন।

বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন ২৪ জন। এর মধ্যে আমতলীতে ৪ জন, বেতাগীতে ১ জন, বামনায় ৪ জন, পাথরঘাটায় ১ জন, তালতলীতে ২ জন এবং জেলা সদরের বিভিন্ন হাসপাতালে ১২ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চলতি বছরে বরগুনা জেলায় এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৭১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯ হাজার ৬৮৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বরগুনা সদর ও উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ১৫ জন, আর জেলার বাইরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মারা গেছেন আরও ৫১ জন। সব মিলিয়ে জেলায় ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬ জনে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন, শীত মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমলেও এডিস মশার বংশবিস্তার পুরোপুরি বন্ধ হয় না। তাই ব্যক্তি ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা এবং নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার না করলে ঝুঁকি থেকেই যাবে।








  সর্বশেষ সংবাদ  


  সর্বাধিক পঠিত  


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক:
মো. আশরাফ আলী
কর্তৃক এইচবি টাওয়ার (লেভেল ৫), রোড-২৩, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২।
মোবাইল : ০১৮৪১০১১৯৪৭, ০১৪০৪-৪০৮০৫৫, ই-মেইল : thebdbulletin@gmail.com.
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy