প্রকাশ: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:১৩ এএম (ভিজিট : ৪২)

X
নির্বাচনের উত্তাপ যখন ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে মানিকগঞ্জ জেলা জুড়ে, ঠিক তখনই মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বড় ধাক্কা খেলেন ৯ জন প্রার্থী। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে নানা অনিয়ম ও ত্রুটির কারণে তাদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন প্রশাসন।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মানিকগঞ্জ-১, ২ ও ৩ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই করা হয়।
এর মধ্যে মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তবে ১ শতাংশ ভোটারদের ভুয়া স্বাক্ষর জমা দেওয়ার কারণে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে দেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ছিলেন আব্দুল আলী বেপারী ও জনতার দলের মনোনীত প্রার্থী শাজাহান খান।
মানিকগঞ্জ -২ (হরিরামপুর সিংগাইর) আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে তিন জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তারা হলেন ,বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবিদুর রহমান, বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল হক এবং জাতীয় পার্টির এস এম আবদুল মান্নান।
মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) আসলে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ১২ জন প্রার্থী। তিন জন প্রার্থীর এক শতাংশ ভোটারদের স্বাক্ষর জালিয়াতি ও একজন প্রার্থীর সমর্থনকারী স্বাক্ষর না থাকার কারণে মোট চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আতাউর রহমান আতা, স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম, এবি পার্টির রফিকুল ইসলাম জনি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক হোসেন।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, মনোনয়নগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে । তারপরও আপত্তি থাকলে আপিল করতে পারে, মোট ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা এবং ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।