
রমজান মাসরে ইফতার সন্ধ্যায় টবেলিে এক টুকরো ফল যনে প্রশান্তরি ছোঁয়া। তবে সইে স্বস্তরি ফল কনিতে গয়িইে চট্টগ্রামরে বাজারে এখন ক্রতোদরে কপালে পড়ছে চন্তিার ভাঁজ।
নগররে ফলমন্ডি থকেে শুরু করে পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকান র্সবত্রই যনে হুরহুর করে বড়েই চলছেে ফলরে দাম। এক সপ্তাহ আগওে যে আপলে বা কমলা সাধারণরে নাগালে ছলি, রমজান আসতইে তার দাম কজেতিে ২০ থকেে ৫০ টাকা র্পযন্ত বড়েে গছে।ে বশিষে করে দক্ষণি আফ্রকিার আপলে, চীনরে কমলা আর বভিন্নি জাতরে আঙুররে দাম এখন সাধারণ মধ্যবত্তিরে সাধ্যরে সীমানা ছাড়য়িে যাচ্ছ।ে
বাজাররে এই অস্থরিতার পছেনে আমদানকিারক ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বন্দর জটলিতা এবং চড়া শুল্করে বোঝাকইে দায়ী করছনে সংশ্লষ্টিরা। পাইকারি ফল বক্রিতো মো. শফকি বলনে, রোজার শুরুতে দাম কছিুটা বাড়তি থাক,ে যা গত কয়কে বছর ধরইে দখো যাচ্ছ।ে এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে সম্প্রতি র্কমবরিতি চলায় পণ্য খালাস বন্ধ ছলি এবং বদিশেি ফলরে অনকে জাহাজ আটকে ছলি। তবে এখন প্রতদিনি খালাস হচ্ছে এবং শগিগরিই দাম কমে যাবে বলে তনিি আশাবাদ ব্যক্ত করনে। চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমতিরি সভাপতি মো. আলী হোসনে জানান, রোজায় চাহদিা বাড়ে বলইে দাম কছিুটা র্ঊধ্বমুখী হয়। তবে প্রতদিনি নতুন ফলরে চালান আসছে এবং কয়কে দনিরে মধ্যে বাজারদর কছিুটা সমন্বয় হতে পার।ে
তবে পাইকারি ও খুচরা বাজাররে এই বশিাল ব্যবধান নয়িে দখো দয়িছেে চরম ক্ষোভ। নগররে অলংকার, আকবরশাহ, বায়জদি, ২ নম্বর গটে, প্রর্বতক মোড় বা র্কনলেহাটরে খুচরা বাজারে পাইকাররি তুলনায় কজেপ্রিতি ১০০ থকেে ২০০ টাকা র্পযন্ত বশেি নওেয়া হচ্ছ।ে র্কনলেহাটে ফল কনিতে আসা মোহাম্মদ এবাদুল বলনে, রোজায় বাচ্চারা ফল খতেে চায়, কন্তিু এক কজেি ভালো আঙুর কনিতে গলেইে ৫০০ থকেে ৬০০ টাকা লাগ।ে সব ফল একসঙ্গে কনো সম্ভব নয় বলে তনিি এখন পরমিাণে অনকে কম কনিছনে। অন্যদকি,ে খুচরা বক্রিতো মাসুদ এই দামরে র্পাথক্যরে পক্ষে যুক্তি দয়িে বলনে, পাইকারি বাজারইে দাম বশে,ি তার ওপর পরবিহন ব্যয়, দোকান ভাড়া ও শ্রমকিরে মজুরি রয়ছে।ে যহেতেু ফল বশেি দনি রাখা যায় না এবং নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাক,ে তাই লাভ কছিুটা সীমতি রখেইে তাদরে বক্রিি করতে হয়।
এই সংকটরে মূলে রয়ছেে আমদানকিৃত ফলরে ওপর আকাশচুম্বী শুল্করে প্রভাব। বাংলাদশে ফ্রশে ফ্রুটস ইমর্পোর্টাস অ্যাসোসয়িশেনরে সভাপতি সরিাজুল ইসলাম জানান, আর্ন্তজাতকি বাজারদর, ডলাররে বনিমিয় হার ও শুল্ক-কর কাঠামো সরাসরি ফলরে দামে প্রভাব ফলে।ে র্বতমানে ফলরে ওপর প্রায় ১২৩ শতাংশ শুল্ক রয়ছে,ে যার মানে এক কজেি আপলেইে সরকারকে প্রায় ১২০ টাকা কর দতিে হয়। এই শুল্ক কমানো গলেে বাজারদরও কমে আসত বলে তনিি মনে করনে।