প্রকাশ: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ১২:১৮ পিএম (ভিজিট : ১২৭)

X
সংগৃহীত ছবি
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে গ্রাহক হয়রানি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ গ্রাহকরা মাসের পর মাস ঘুরেও সংযোগ পাচ্ছেন না, অথচ ‘গোপন চুক্তিতে’ প্রভাবশালী ও অবৈধ ইটভাটায় দ্রুত মিলছে নতুন সংযোগ ও লোড বৃদ্ধি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে তার সংকট, ট্রান্সফর্মার নেই বা অনলাইন ত্রুটির মতো অজুহাত দেখানো হয়। কিন্তু বড় অঙ্কের লেনদেন হলে এসব বাধা আর থাকে না। আশারকোটা গ্রামের সাদ্দাম হোসেন, মাকসুদুর রহমান ও মোস্তাক আহম্মেদসহ অনেকেই মাসের পর মাস আবেদন করে ঘুরছেন। এমনকি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১২টি পানি সরবরাহ প্রকল্পও বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে আটকে আছে।
বিপরীতে, কর্ণফুলী সিটি কমপ্লেক্স ২ বছর আগে টাকা জমা দিয়েও ট্রান্সফর্মার পায়নি, অথচ তার পাশেই একটি নতুন ৫ তলা ভবনে মাত্র ২ মাসে সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া লাইসেন্সবিহীন বিভিন্ন ইটভাটায় (মদিনা, মক্কা, মেঘনা ব্রিকস) অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ লোড বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের তীর মূলত ওয়ারিং ইন্সপেক্টর শিমুল বড়ুয়া ও ডিজিএম শাহিন রেজা ফরাজীর দিকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইলেকট্রিশিয়ানরা জানান, প্রতি মিটারে শিমুল বড়ুয়াকে ন্যূনতম ৭০০ টাকা না দিলে ফাইল অনুমোদন হয় না। মসজিদ-মাদ্রাসার ক্ষেত্রেও কোনো ছাড় দেওয়া হয় না। তবে অভিযুক্ত শিমুল বড়ুয়া এসব দাবি অস্বীকার করে বলেন, "সবকিছু নিয়ম মেনেই হচ্ছে।"
ডিজিএম শাহিন রেজা ফরাজী জানান, নতুন সরকার আসার পর বরাদ্দ কম থাকায় কিছু কাজে দেরি হচ্ছে এবং শর্ত পূরণ না করায় অনেকে সংযোগ পাচ্ছেন না। তবে অনিয়মের অভিযোগ তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।