প্রকাশ: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম (ভিজিট : ৩৪)

X
নীলফামারীর পশুর হাটে জমে উঠছে কেনাবেচা, বাড়ছে জাল টাকার আতঙ্ক
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরসহ বিভিন্ন উপজেলার কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা, বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আনা-গোনা বেড়ে গেছে। সেইসাথে ঈদের বাজার জমে উঠতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে কোরবানির পশুর হাটগুলো কেনা-বেচায় মুখরিত হয়ে ওঠবে বলে আশা করা যাচ্ছে। কিন্তু, প্রায় সবগুলো হাটেই জাল টাকা আতঙ্ক বিরাজ করছে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে যেভাবে জাল টাকা উদ্ধার ও গ্রেফতার হচ্ছে তাতে এ অঞ্চলেও জাল টাকা ছড়ানোর আশংকা রয়েছে। তাই, এসব হাটে জাল টাকা সিন্ডিকেট চক্র যেন কোনোভাবেই প্রভাব বিস্তার করতে না পারে সে ব্যাপারে আইন-শৃংখলা বাহিনীর সহায়তা ও জাল টাকা চেনার মেশিন স্থাপনের দাবি উঠেছে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মধ্যে।
সূত্র মতে, এলাকায় আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে যে, আসন্ন কোরবানির হাটে জাল টাকা ছড়ানোর জন্য শক্তিশালী একটি চক্র তৎপরতা শুরু করেছে। রাজধানীতে এই চক্রের কয়েক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ এমন খবরও নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। এলাকার বিভিন্ন মহলে এমনও আলোচনা হচ্ছে যে, রাজধানীর জাল টাকা ব্যবসায়ী চক্রের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা উদ্ধার করাসহ রাজধানীর বাইরেও বিভিন্ন স্থান থেকে আশংকাজনক হারে এই চক্রের সদস্য গ্রেফতার হচ্ছে ও উদ্ধার হচ্ছে জাল টাকা। এমন আশঙ্কা থেকে এ অঞ্চলেও গরু ব্যবসায়ী ও ক্রেতা এবং বিক্রেতারা জাল টাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলের মতো এ অঞ্চলেও যে এই চক্র জাল টাকা ছড়ায়নি তা’ নিয়েই মুলত: আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জেলার বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত হাটের পাশাপাশি অস্থায়ী হাটও গড়ে ওঠেছে। এসব হাটে জাল টাকা রোধে পুলিশী তৎপরতা, ভ্রাম্যমান টীম প্রয়োজন। সেই সাথে জাল টাকা চেনার জন্য মেশিন স্থাপনেরও দাবি ওঠেছে।
এ ব্যাপারে নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেনের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা ব্যাংকের লোকদের সাথে করে জাল টাকা সনাক্তের মেসিনসহ হাটগুলোতে মনিটরিং টিম বসানোর ব্যবস্থা করেছি। এরকম কর্মকান্ডের সাথে জড়িতদের ধরতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।