
X
ছবি: প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা পরিষদ ও বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প, স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে বিভিন্ন এনজিও, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংবাদকর্মীদের নিয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার দুপুরে বাজিতপুর উপজেলা হল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় কিশোরগঞ্জ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা গ্রাম আদালতের ম্যানেজার হাফিজা আক্তার সভাপতিত্ব করেন।
বক্তারা বলেন, প্রকল্পটি ২০০৯ সালে শুরু হলেও এর কার্যক্রম ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। তারা জানান, গ্রাম আদালত বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬১ জেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বক্তারা আরও বলেন, এসডিজি বাস্তবায়ন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা, নারী ও দরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য সেবার সুযোগ বৃদ্ধি করাই এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।
তারা জানান, গ্রাম আদালতের মামলাগুলোর মধ্যে ফৌজদারি মামলার জন্য আবেদন ফি ১০ টাকা এবং দেওয়ানি মামলার জন্য ২০ টাকা। এ ছাড়া কোনো অতিরিক্ত খরচ নেই। দেওয়ানি আদালতের ক্ষেত্রে বিরোধ সংঘটিত হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হবে। এক বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করা যাবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে ধর্ষণ, খুন, অপহরণ, ডাকাতি, বহুবিবাহ, তালাক, দেনমোহর, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, নারী ও শিশু নির্যাতন, স্থাবর সম্পত্তির স্বত্বাধিকারসংক্রান্ত বিষয়সহ অন্যান্য বিষয়ে অসহায় মানুষের সহযোগিতায় বিভিন্ন আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হয় বলেও কর্মশালায় জানানো হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন গ্রাম আদালতের বাজিতপুর উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মো. আমিনুল ইসলাম, ব্র্যাক এরিয়া অফিসার আবুল কালাম আজাদসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।