রাজারহাটে মাটির হাঁড়ি-পাতিলে বেঁচে আছে ভোজেন পালের পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

কুড়িগ্রামের রাজারহাটের নাজীমখান ইউনিয়ন অধীনস্থ মানাবাড়ি-কালিরহাটে বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ঐতিহ্য কুমারশিল্প আঁকড়ে ধরে আছেন ভোজেন পাল।জানা যায়, যুগ

2026-08-17T11:03:37+00:00
2026-08-17T11:03:37+00:00
সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬ ২ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার ১৭ আগস্ট ২০২৬
   
রাজারহাটে মাটির হাঁড়ি-পাতিলে বেঁচে আছে ভোজেন পালের পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য
রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৩ এএম   (ভিজিট : ০)
রাজারহাটে বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ঐতিহ্য কুমারশিল্প আঁকড়ে ধরে আছেন ভোজেন পাল।
X

রাজারহাটে বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ঐতিহ্য কুমারশিল্প আঁকড়ে ধরে আছেন ভোজেন পাল।

কুড়িগ্রামের রাজারহাটের নাজীমখান ইউনিয়ন অধীনস্থ মানাবাড়ি-কালিরহাটে বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ঐতিহ্য কুমারশিল্প আঁকড়ে ধরে আছেন ভোজেন পাল।

জানা যায়, যুগ যুগ ধরে বাপের রেখে যাওয়া এই কুমারশিল্পকে বাবার স্মৃতি ও ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে এখনও নিরলসভাবে কাজ করছেন তিনি।

ভোজেন পাল জানান,এই শিল্প দিয়ে এখন সংসার চলেনা।কারণ উল্লেখ করে বলেন,আগে এক টলী মাটি কিনতে ১৫০০ টাকা লাগত,এখন লাগে ৩০০০-৪০০০ টাকা।ফলে তৈরি খরচ বাড়ার তুলনায় বাজারে ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায়না।

তিনি আরও জানান, আমার কাছে কুমারশিল্প শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়, এটি আমার পরিবারের ঐতিহ্য। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমার পরিবার মাটির তৈরি জিনিসপত্র বানিয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতেই নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছি। 

স্থানীয়দের মতে, কুমারশিল্প শুধু একটি পেশা নয়—এটি গ্রামীণ বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। ভোজেন পালের মতো কারিগররা সেই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় সহায়তা, বাজার সুবিধা ও নতুন প্রজন্মকে এ পেশায় যুক্ত করার উদ্যোগ না থাকলে একসময় হারিয়ে যেতে পারে বহু বছরের এই ঐতিহ্য।

স্থানীয় একজন প্রবীণ ব্যক্তি জানান,এখন আর মাটির তৈরি পণ্যের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়না একসময় গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরেই মাটির হাঁড়ি, পাতিল, কলস, সরা, ধোপাতি,বদনা, জগ, শড়োয়াসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবহার ছিলো।আধুনিকতার  ছোঁয়ায় সেই জায়গা দখল করেছে প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ও স্টিলের তৈরি নানা সামগ্রী। ফলে সংকটের মুখে পড়েছে প্রাচীন কুমারশিল্প।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে হার মানেননি ভোজেন পাল। বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ঐতিহ্য ধরে আজও মাটি দিয়ে তৈরি করছেন নানা ধরনের জিনিসপত্র

তাই এটি শুধু একটি পণ্য তৈরির যন্ত্র নয়; এটি যেন বাপ-দাদার রেখে যাওয়া এক ঐতিহ্যের চাকা—যা সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে ঘুরছে, কিন্তু থামেনি এখনো।ভোজেন পালের হাতে ঘুরতে থাকা মাটির চাকা









Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy