প্রকাশ: বুধবার, ২ মার্চ, ২০২২, ৩:০০ পিএম (ভিজিট : ১২৮)

X
পটুয়াখালীতে ছাত্রলীগ,যুবলীগ, স্বেচ্ছা সেবক লীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় জেলা বিএনপির সমাবেশ পন্ড হয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে। আজ বুধবার (০২ মার্চ) সকালে শহরের বনানী এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। আহতরা শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে চার রাউন্ড টিআর শেল নিক্ষেপ ও লাঠি চার্জ করে পুলিশ। তবে জেলা আওয়ামী লীগের দাবি, দলীয় কোন্দল থাকায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, যার দায়ভার আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনগুলোর উপর চাপানো হচ্ছে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. মুজিবুর রহমান টোটন বলেন, ‘নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দুর্নিতির প্রতিবাদে বিএনপির দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বুধবার (০২ মার্চ) সকাল সাড়ে নয়টায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হলে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছা সেবক লীগের সন্ত্রাসীরা রামদা, লাঠি-সোটাসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় বিএনপির সভা ভঙ্গ করতে টিআর শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন যারা শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর আগে সকালে লঞ্চঘাটে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমান্ডের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।’
সদর থানা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী মাহাবুব হোসেন জানান, কর্মসূচির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এসে হামলা চালায়। দলীয় নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ছোড়ে।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও স্বাভাবিক আছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’
বিএনপির অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোন অংগসংগঠন হামলা করেনি। বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল আছে, তাদের নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। যার দোষ আমাদের উপর চাপানো হচ্ছে। তারা নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে দিয়ে রাজনৈতিক ফয়দা হাসিল করতে চায়।’