প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ মার্চ, ২০২২, ২:৩৮ পিএম (ভিজিট : ১৩৬)

X
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের দেড় বছরেও সন্ধান মেলেনি হতদরিদ্র স্বামী পরিত্যাক্ত রেজিয়া খাতুনের একমাত্র কন্যা রিনা বেগমের (২৬)।
মামলা ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া ইউনিয়নের পানিহাতা রিনা বেগমের বাড়ী হতে ২০ আগস্ট ২০২১ তারিখে বিয়ের প্রলোবন দেখিয়ে সাবেক স্বামী কামাল হোসেন তার নিজ বাড়ী ময়নসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার রুহি পাগারিয়া নিয়ে যায়। রিনার মা রেজিয়া খাতুনকে নতুন করে কাবিনের কথা বলে প্রতিশ্রুতি দেয়। কয়েকদিন রিনা তার মায়ের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হয়। রিনা বেগমের মা ও স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে সন্ধান না পেয়ে স্থানী ইউপি চেয়ারম্যান ও থানায় অবগতি করে শেরপুর আদালতে মেয়ের সন্ধান চেয়ে মামলা করেন। ওইদিনই আদালত তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য নালিতাবাড়ী থানার ভাপরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদান করেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, রিনা বেগমের সাথে ৮ বছর পূর্বে পাশ্ববর্তী জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার রুহিপাগারিয় গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে কামাল হোসেনের সাথে বিয়ে হয়। তাদের ৬ ও ৪ বছরের দুটি সন্তানও রয়েছে। কামাল হোসেন যৌতক দাবি করে সন্তানসহ স্ত্রীকে মায়ের বাড়ী পাঠিয়ে দিয়ে গোপনে ২০২০ সালের জানুয়ারীতে এক তরফা তালাক দেয়। পরে রিনা বেগম বাদি হয়ে কোর্টে যৌতকের মামলা করে যার নং ১৬/২০২০। ওই মামলায় আপোসশর্তে জামিন পেয়ে প্রতিহিংসা বসত কামাল হোসেন ও তার পিতা রিনা বেগমকে ফুসলিয়ে নতুন কাবিনের বিয়ে ও সংসার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়ে যায়। এর পর থেকে রিনা বেগমের আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। রিনা বেগমের হতদরিদ্র বিদবা মা রেজিয়া খাতুন একমাত্র মেয়ের সন্ধান না পেয়ে হতাশা ও দূঃশ্চিন্তায় অনাহারে- অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এস.আই আনোয়ার হোসেন বলেন, মামলা তদন্ত কাজ চলছে। দ্রুতই আসামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।