প্রকাশ: বুধবার, ৩ আগস্ট, ২০২২, ৬:১৫ পিএম আপডেট: ০৩.০৮.২০২২ ৬:২২ পিএম (ভিজিট : ৪০২)

X
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের বলদিপাড়া হলদিঘর মৌজার এস এ ১ নং খতিয়ানের ৩৯৪ নং দাগের ১.২২ একর ফসলি শ্রেণির জমি যার মালিক পূর্ব পাকিস্তান প্রদেশ পক্ষে কালেক্টর উক্ত সম্পত্তি আর এস ১ নং খতিয়ানের ৪৮৮ নং দাগের ১.২২ একর লায়েক পতিত শ্রেণির জমি যার মালিক বাংলাদেশ সরকার পক্ষে ডেপুটি কমিশনার।
সম্পত্তিটি ফাঁকা পড়ে থাকায় স্থানীয় এলাকাবাসী মাঝে মাঝে এই জায়গাটিতে ধান মাড়াই,ধান শুকানো, কাপড় শুকানো ও জ্বালানি শুকানোর কাজে ব্যবহার করে আসছে। এটি একটি পতিত সম্পত্তি। তাই স্থানীয় সরকার এই পতিত সরকারি সম্পত্তি টি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মানের জন্য নির্ধারণ করেছেন। অসহায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের জন্য এ সম্পত্তিটিতে মাটি ভরাট করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ৩০.৬৭৫মে.টন গম বরাদ্দও পাওয়া গেছে।
কিন্তু স্থানীয় কিছু অসাধু মানুষ যারা এ বিশাল সম্পত্তিটি নিজেরা তাদের ব্যক্তিগত কাজে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাবহার করছিলেন তারা চায় না এখানে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর হোক। অতি দরিদ্র অসহায় মানুষগুলোর মাথা গোঁজার ঠাঁই হোক। আর এ কারণেই তারা সরকারি এ পতিত অনাবাদি সম্পত্তিটিকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য খেলার মাঠ দাবি করা শুরু করেছে আর এই স্বার্থ হাসিল বাস্তবে রূপ দিতে ইতিমধ্যে তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক ভাড়া করে এক মানববন্ধনের ও আয়োজন করেছিলেন যাতে দাবি করা হয় খেলার মাঠ রক্ষায় মানববন্ধন এবং সম্প্রতি এই পতিত জায়গাটিতে ফুটবল খেলার বার ও স্থাপন করেছেন তবে অত্র এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু বিবেকবান মানুষ জানান এই পতিত জায়গা কোনদিন খেলার মাঠ ছিলোনা এবং কাগজে-কলমেও উল্লেখ্য নেই তাই আমরা চাই অসহায় ভিটেমাটি ও গৃহহীন পরিবারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের যে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করেছেন তা অবিলম্বে নির্মাণ করে অসহায় মানুষগুলোর মাথা গোঁজার ঠাঁই করা হোক।
এ ব্যাপারে, কায়েমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক ঝুনু বলেন, ওখানে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর তৈরীর আগেই একটি চক্র নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য জনগনকে ভুল বুঝিয়ে এই প্রকল্পে বাধা প্রদান করছে। এই বাধা প্রদান করাটা অযৌক্তিক।
এখানে ঘর নির্মাণ হলে, ভূমিহীনরা জায়গাসহ ঘর পাবে তারা এখানে মাথা গোঁজার ঠাই পাবে। কাজেই এখানে প্রকল্পের কাজ করা হবে কোন অনিয়মত্রান্তিক বাধা মানা হবে না। আমরা এ প্রকল্পের কাজে কর্তৃপক্ষকে সহযোগীতা করবো।
এ বিষয়ে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি কাজ শুরু হওয়ার আগেই সেখানে বাঁধা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করছে কিছু মানুষ। যেহেতু ওই জায়গাটা কারো ব্যাক্তিমালাধীন নয় ওটা পতিত সম্পত্তি। সেহেতু সরকারি সকল নিয়ম মেনেই ওখানে প্রকল্পের ঘরের কাজ করা হবে।
-বাবু/ফাতেমা