টেকনাফ ঘরে ঘরে ডেঙ্গু, আতংকে লোকজন

সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ কক্সবাজার

সারাবাংলা

কক্সবাজার জেলার সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে ডেঙ্গু জ্বর মহামারী আকার ধারন করেছে। এমন কোন বাড়ি নেই, ডেঙ্গু জ্বরের রোগী

2022-08-11T21:46:23+00:00
2022-08-11T21:46:23+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
টেকনাফ ঘরে ঘরে ডেঙ্গু, আতংকে লোকজন
সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ কক্সবাজার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০২২, ৯:৪৬ পিএম   (ভিজিট : ৩১৮)
X

কক্সবাজার জেলার সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে ডেঙ্গু জ্বর মহামারী আকার ধারন করেছে। এমন কোন বাড়ি নেই, ডেঙ্গু জ্বরের রোগী নেই। স্থানীয় লোকজনদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। যাদের বাড়ি-ঘরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়নি তারা ও উদ্যোগ -উৎকন্ঠায় দিন যাপন করছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে সরকারি, হাসপাতালে তিল ধরনের ঠাঁই নেই। ডেঙ্গু জ্বরের রোগী আর রোগী। হাসপাতালের চিকিৎসকগণ রোগীদের সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছে। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হওয়া সর্তে ও সেখানে ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের পরিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এমন কি সিট না পেয়ে মেঝেতে আসন নিয়েছেন রোগীরা। শিশু হতে বৃদ্ধ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের অভিযোগ সরকারিভাবে যে সমস্ত ঔষধ দেওয়া হচ্ছে তা অপ্রতুল। রোগের তুলনায় সে ঔষধে সিকি পরিমান কাজ হচ্ছে না। বাইর থেকে ঔষধ এনে খেতে হচ্ছে।

এতে সামর্থ ওয়ালা পরিবার গুলো চিকিৎসা  সেবা নিতে পারলে ও  হতদরিদ্র লোকজন পড়েছে বিপাকে। দীর্ঘ স্থায়ী চিকিৎসা হওয়ায় অনেক হতদরিদ্র ডেঙ্গু জ্বরের রোগী ভালভাবে চিকিৎসা  সেবা নিতে না পারায় টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে রেফার দেওয়া ৪ জন ডেঙ্গু জ্বরের রোগী কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরন করেছেন। এখনো অনেক ডেঙ্গু জ্বরের রোগী কক্সবাজার সদর সহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। দীর্ঘ সময় এ ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ দেখা দিলে ও টেকনাফ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে,উপজেলা ও পৌর প্রশাসন সচেতনতা মুলক কোন উদ্যেগ গ্রহন করেনি বলে ভুক্তভোগী রোগীদের অভিযোগ।

এরা আরও  অভিযোগ করে বলেন যে, যেকোন রোগী হাসপাতালে গেলে সরকারি ল্যাবে না পাঠিয়ে পাবলিক ল্যাবে রক্ত পরীক্ষার জন্য পাঠায়। এতে ল্যাব গুলো ডেঙ্গু জ্বরের রক্ত পরীক্ষার নামে প্রতিটি রোগী থেকে ১৭ শত টাকা হতে ২ হাজার ৫ শত টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এখান থেকে প্রতিটি রোগীর পেছনে চিকিৎসক ৩০ হতে ৪০ শতাংশ কমিশন পাচ্ছে বলে জানান।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটুচন্দ্র শীলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি জানান, ডেঙ্গু জ্বরের বিষয়ে আমার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উপজেলা, পৌরসভায় চিঠি পাঠিয়েছি জন সচেতনতা মুলক লিফলেট, মাইকিং করার জন্য। 

এ বিষয়ে টেকনাফ পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ইসলাম জানান, আমারা বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশার স্প্রে প্রয়োগ করতেছি এবং জনসচেতনতা মূলক প্রচারনা চালাচ্ছি। জনগণ সচেতন না হলে আমরা কি করবো।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ এরফানুল হক চৌধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি শিঘ্রই জন সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয় মাইকিং করব।

-বাবু/শোভা






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy