প্রকাশ: শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২, ৩:৪০ পিএম (ভিজিট : ৫১৫)

X
অনেক দূর থেকেই নাকে গন্ধ আসে গাঁজার। ওরসে আগত দর্শনার্থীদের বাধ্য হয়ে স্বাদ নিতে হয় এই মাদকের। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া খরমপুরে শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.)ওরফে শাহ পীর কল্লা শহীদের মাজারে সাত দিনব্যাপী বার্ষিক ওরস ও মেলাকে কেন্দ্র করে মাজারের চারদিকে প্রকাশ্যে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সেবন করছে একশ্রেণির মাদকসেবী ও কথিত মাজারভক্তরা।
এই অবৈধ মাদক বিক্রি ও সেবন যেন এখানে একেবারেই বৈধ।বৃহস্পতিবার রাতে ওই মেলা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হাজার হাজার মানুষের ভিড়। কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলছে মেলার নানা কার্যক্রম।
বিভিন্ন জিনিসের পসরা সাজিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা। মাজার এলাকায় আশেকান-ভক্তের উপচে পড়া ভিড়। মাজারটির পশ্চিম দিকে পুকুরের পাড়সংলগ্ন মাঠে এবং উত্তর দিকে কবরস্থানসংলগ্ন এলাকায় গাঁজা-মদ সেবন ও বিক্রির জমজমাট আসর চলছে। পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি সত্ত্বেও সেখানে প্রকাশ্যে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকের পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। আর এসব আসরে উঠতি বয়সের যুবকদেরকেও দেখা যায় গাঁজা সেবন করতে। অনেক মাদক ব্যবসায়ী সাধু-সন্ন্যাসী সেজে মাদক বিক্রি ও সেবন করছে। পাশাপাশি অসামাজিক কার্যকলাপও চলছে বিরামহীনভাবে।
মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম (মিন্টু) মাদকের কথা স্বীকার করে বলেন, আমাদের মাজার এরিয়ার ভিতরে গাঁজা সেবন সম্পুর্ণ নিষেধ। মাজারের উত্তর ও পশ্চিম দিকে কিছু আসর আমার নজরে এসেছে যা আমি ইতিমধ্যে প্রশাসনকে অবহিত করেছি।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ আসাদুল ইসলাম মুঠোফোনে বাংলাদেশ বুলেটিনকে বলেন মাদকের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।আমি আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানলাম সে জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি বিষয়টি দেখতেছি কোনোভাবেই যেন সেখানে মাদক বিক্রি ও সেবন না করা হয় সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
-বাবু/শোভা