
X
আধুনিকতার ছোঁয়া- সৌন্দর্য বর্ধন ও উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাচ্ছে শিক্ষা, সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন। মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়ায় মানুষের জীবন যাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে।
মানুষ বেঁচে থাকে তাঁর কর্মে, প্রতিষ্ঠান টিকে থাকে তার ধর্মে-সাক্ষাৎ করতে আসা এক ভক্ত-পন্ডিতকে উপলক্ষ করে কথাটি বলেছিলেন মহাকবি গেট্যে।
সেই বাক্যের যথার্থ মানুষটি হলেন, বর্তমান মোহনগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদ ইকবাল। মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের মানুষ তার উন্নয়ন কাজের জন্য যুগ-যুগ ধরে মনে রাখবে।
তবে পেচুকেরা যেমন চায় না সূর্যোদয় তেমনি কিছু পরশ্রীকাতর লোকেরা উন্নয়ন ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দেখতে চায়না, এসব কুচক্রী মহলের অনৈতিক সুবিধা অর্জনে ব্যার্থ হয়ে শহীদ ইকবালের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে তা যেন উন্নয়নের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের অবস্থান। মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ জনগণের সাথে এই উন্নয়নের বিষয়ে কথা বললে তারা বলেন, মোহনগঞ্জ উপজেলার সুযোগ্য সুনামধন্য দুইবারের নির্বাচিত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান শহীদ ইকবালের বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছে জনমনে বিভ্রান্তি ও ছড়িয়েছে এবং বিভিন্ন ফেক আইডিতে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছে কিন্তু তাতে হলো কি তিনি আরও জনগণের আরও কাছাকাছি চলে এসেছে, জনগণ জানে শহীদ ইকবাল খুবই স্পষ্টবাদী, উনার কাছে কোন অন্যায় অত্যাচার কোন অপরাধের স্থান হয় না।
মোহনগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে শহীদ ইকবালকে বারবার দেখতে চায়।কোনো ষড়যন্ত্র করে শহীদ ইকবাল চেয়ারম্যান কে জনগনের মন থেকে মোছা যাবে না, কারন মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নবাসী সব কিছুই অবগত আছে।
মোহনগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শহীদ ইকবাল অত্যান্ত ভাল মানুষ বলে আখ্যায়িত করেন মোহনগঞ্জ উপজেলার সাধারণ জনগণ।
মোহনগঞ্জ উপজেলার সাধারণ জনগণ তাদের যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাকে কাছে পাচ্ছেন সবসময়।
আগামীতে ও তিনি মোহনগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনে তিনি জনগণের রায় পাবে এটি বিশ্বাস করে মোহনগঞ্জ উপজেলার সকল জনগণ। তিনি মোহনগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মোহনগঞ্জ উপজেলার অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে।যা ৫০ বছর পিছিয়ে থাকা এলাকার কাজ গুলো অল্প সময়ের মধ্যেই করে মোহনগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদ ইকবাল চ্যালেঞ্জ করে দেখিয়ে দিয়েছে সদিচ্ছা থাকলে উন্নয়ন কিভাবে হয়।
এই কাজ গুলো মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ বিশেষ করে, গরিব, অসহায় মানুষের মধ্য মণি হয়ে দাড়িয়েছে।
তাইতো বর্তমান সময়ে মোহনগঞ্জ উপজেলায় তিনিই একমাত্র জনপ্রিয় ও হেভিওয়েট নেতা যার মেধা ও নেতৃত্বে আগামীদিনে মোহনগঞ্জের প্রতিটি ইউনিয়ন আরও এগিয়ে নিতে আগামী নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে এখন থেকেই তাকেই জনগণ চায়।
বর্তমান সময়ে পত্র-পত্রিকার পাতায় যেমন দেখা যায় তেমনি মোহনগঞ্জের গ্রামীণ এলাকায় গেলে দেখতে পাবেন শহীদ ইকবালের উন্নয়নের জোয়ারে বদলে যাচ্ছে মোহনগঞ্জ উপজেলার চিত্র। এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কৃষক বলেন, একমাত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে পারে একজন তিনি হলেন আমাদের সাধারণ জনগণের নেতা মোহনগঞ্জের মাটি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা একজন আত্মবিশ্বাসী নেতা শহীদ ইকবাল।
মোহনগঞ্জ উপজেলার আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সাথে ও সাধারণ জনগণের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, মোহনগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে শহীদ ইকবাল ছাড়া তারা আর কাউকে ভাবতেই পারেন না। কারণ তিনি এই চেয়ারের একমাত্র যোগ্য ব্যক্তি। আগামী উপজেলা নির্বাচনে ও তাকে সাধারণ জনগণ ভোট দিয়ে সাধরে গ্রহণ করবে। এই আশায় বুক বেধে আছে মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নবাসী।
মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও মোহনগঞ্জ উপজেলা পরিষদের দুইবারের সফল চেয়ারম্যান শহীদ ইকবাল বলেন-মোহনগঞ্জ ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রেবেকা মুমিন এমপি মহোদয়ের দিক নির্দেশনায় আমি সবসময় কাজ করে যাচ্ছি, এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আমি মাঠে-ঘাটে সব সময় ছুটে যাচ্ছি, সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে একান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আমরা তার সাধারণ কর্মী হিসেবে মাঠে ঘাটে কাজ করে যাচ্ছি। আমি কি করেছি এটা আমি বলতে চাইনা জনগণেই বলবে। আমি সবসময় চেষ্টা করি আমার মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের সকল জনগণ সুখে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করুক।
-বাবু/শোভা