এক বাংলাদেশী তরুণকে মিয়ানমারে জিম্মি দশায় রেখে, ইয়াবা আমদানি

সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ কক্সবাজার

সারাবাংলা

কক্সবাজারের টেকনাফের সীমান্তে বাহারছড়া চৌকিদার পাড়ার এক মাদক কারবারি জাল ক্রয়ের কথা বলে মিয়ানমারে নিয়ে গিয়ে নুরুল আমিন

2022-08-18T20:44:37+00:00
2022-08-18T20:44:37+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
এক বাংলাদেশী তরুণকে মিয়ানমারে জিম্মি দশায় রেখে, ইয়াবা আমদানি
সাইফুল ইসলাম, টেকনাফ কক্সবাজার
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২, ৮:৪৪ পিএম   (ভিজিট : ৪১৪)
X


কক্সবাজারের টেকনাফের সীমান্তে বাহারছড়া চৌকিদার পাড়ার এক মাদক কারবারি জাল ক্রয়ের কথা বলে মিয়ানমারে নিয়ে গিয়ে নুরুল আমিন নামের এক তরুণকে ইয়াবার লেনদেন বাবদ ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় জিম্মায় দিয়ে ৫০ হাজার পিস ইয়ার চালান নিয়ে আসার ১৯ দিন হলো।

এই দীর্ঘ সময় ধরে জিম্মি দশায় শারীরিক অমানবিক নির্যাতন চলছে ঐ তরুণের উপর। এসব অভিযোগ রয়েছে একই এলাকার মাদক গডফাদার শহিদুল্লাহ'র বিরুদ্ধে।

জানা যায়,  এই আগস্টের প্রথম সাপ্তাহে স্থানীয় বাহারছড়া চৌকিদার পাড়া আব্দুল হাকিম প্রকাশ আলী হোছেনের ছেলে শহিদুল্লাহ একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে নুরুল আমিন (২২)কে টেকনাফ কারেন্ট জালের কথা বলে ফুসলিয়ে দীর্ঘ সীমানা পথ পাড়ি দিয়ে মিয়ানমারের পূর্ব পরিচিত মাদক ডিলারের কাছে গিয়ে নিয়মমাফিক ইয়াবা লেনদেন করে। এতে ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকার বিপরীতে এই তরুণকে জিম্মায় দেয়া হয়। কিন্তু নিরাপদে সীমান্ত পথ পার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছে গেলে দীর্ঘ সময় যাবত মিয়ানমারের সেই কারবারিদের ফোন রিসিভ করছে না শহিদুলল্লাহ। এতে করে আরো বহুগুণে শুরু হয় অমানবিক মিয়ানমার রাখাইন মাদক গডফাদারের অত্যাচার। পরে ৫০ হাজার ইয়াবা লুটপাট হয়েছে বলে শহিদুল্লাহসহ তার অংশীদার মনসুর লাপাত্তা। তাকে জিম্মি দশা থেকে মুক্ত করতে স্থানীয় এক ব্যাক্তি এই দুজন থেকে ৯ লাখ টাকার স্টাম্প নিয়ে দেয়। এতে করেও কেহই টাকা দেয়নি মরতে বসেছে ঐ তরুণ।  এই তরুণ জিম্মি দশা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন ভাগ্যের কাছে নয় বিশ্বাসের কাছে হেরে গেছি। 

অভিযুক্ত শহিদুল্লাহ'র পিতা আলী হোছেন বলেন," রাজ্জাকের ছেলে মিয়ানমারে আটকে সেটা শুননি তাকে উদ্ধার করতে ৪লাখ টাকার দিবো বলে স্টাম্প দেয়া হয়েছে নজরুল নামের একজনের কাছে।

ভিক্টিমের সহোদর আব্দুল বলেন," মিয়ানমার থেকে তাকে আটকে রেখে পাশবিক অত্যাচার চালাচ্ছে লেনদেনের টাকা না দিলে মেরে ফেলবে। এতদিন নির্যাতনের কারণে তার শরীর ফুলে গেছে। এভাবে তার জিম্মির বিষয়ে নিশ্চিত করে সহোদর কথা গুলো বলেছেন।

এদিকে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নুর মোহাম্মদ জানান, এবিষয়ে ভিক্টিমের পরিবার থেকে মৌখিক কিংবা লিখিতভাবে কেহই অভিযোগ করেনি তবু এই ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি


-বাবু/শোভা






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy