প্রকাশ: শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২, ৯:৫২ এএম আপডেট: ২০.০৮.২০২২ ১০:১২ এএম (ভিজিট : ৩৭৫)

X
দেশের সর্বদক্ষিণের জনপদ রাঙ্গাবালীর সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ফেরি সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। উপকূলীয় এ অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
নৌপথ নির্ভর এ দ্বীপে ফেরি চালু করার পরিকল্পনা হিসেবে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ করপোরেশনের চেয়ারম্যান আহমদ শামীম আল রাজী এ উপজেলার নৌরুট পরিদর্শনে এসেছেন। তিনি গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি থেকে রাঙ্গাবালীর কোড়ালিয়া নৌরুটের আগুনমুখা নদী ঘুরে দেখেছেন।
পরে কোড়ালিয়া ঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বলেছেন, রাঙ্গাবালীর মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি কোড়ালিয়া-পানপট্টি নৌরুটের আগুনমুখা নদীতে ফেরি চালুর। নি:সন্দেহে এখানে একটি ফেরিসার্ভিস প্রয়োজন। এজন্য আগুনমুখা নদীতে কিছু ড্রেজিংয়ের কাজ করতে হবে। সংযোগ সড়কের কাজ করতে হবে। আগামী সপ্তাহে আমরা আরেকটি টিম পাঠাবো এখানে। তারা দেখবে কি পরিমাণ ড্রেজিং এখানে প্রয়োজন।
রাঙ্গাবালীর মানুষকে ফেরি চালু করার বিষয়ে আশ্বস্ত করে তিনি বলেছেন, আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে এখানে ফেরি চালু করার। কারণ এখানে প্রচুর পরিমাণ কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়। এখানে প্রচুর তরমুজ হচ্ছে। রয়েছে মৎস্য সম্পদ । আমাদের লক্ষ্য উপকূলীয় মানুষের যোগাযোগ সহজ করে দেওয়ার।
তিনি আরও বলেছেন, পদ্মা সেতু হওয়ায় সেখানকার বেশ কিছু ফেরি আমাদের হাতে আছে। অবকাঠামো থাকলে আমরা আজকেই ফেরি দিতে পারতাম। অবকাঠামোগুলো আমাদের করতে হবে। এরআগে নেভিগেশন বা নাব্যতা চিহ্নিত করতে হবে। এগুলো হলেই ফেরি চালু করতে পারবো। আগামী সপ্তাহে যে টিম আসবে তারাই বিষয়টি ঠিক করবে যে কবে নাগাদ এখানে ফেরি চালু হবে। ড্রেজিংএর কাজটি করবে বিআইডব্লিউটিএ।
একটি টিম করা হয়েছে। যেখানে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডবিউটিএ, সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং জনপ্রতিনিধিরা রয়েছে। তারা কাজের পরিকল্পনা দিবে। তারা রিপোর্ট দেওয়ার পর আমরা কাজ শুরু করবো। অনেক কিছু পরীক্ষা-নীরিক্ষা করতে হয়। দুই পাশে পন্টুন বসাতে হবে। ফেরি চালুর ক্ষেত্রে কোন চ্যালেঞ্জ রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, এখানে নাব্যবতা সংকট রয়েছে। ড্রেজিং লাগবে। সংযোগ সড়কও করতে হবে।
এ পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে বিআইডব্লিউটিসি'র পরিচালক এস এম আশিকুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালেক মুহিদসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
-বাবু/শোভা