প্রকাশ: শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২, ৪:৫৩ পিএম (ভিজিট : ২৬১)

X
বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার নাজিরারটেক চ্যানেলে ১৯ জেলে নিয়ে ফিশিং ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৪ জন উদ্ধার হলেও নিখোঁজ ৫ জেলেকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নিখোঁজ জেলেদের পরিবারে চলছে কান্না আর কান্না। তবে কোস্টগার্ড কর্মকর্তা বলেছেন নিখোঁজদের জেলেদের উদ্ধারে চলছে তৎপরতা৷
শনিবার ২০ আগস্ট দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড পূর্বজোনের কক্সবাজার স্টেশনের কন্টিজেন্ট কমান্ডার এম হামিদুল ইসলাম৷
তিনি জানান, কক্সবাজার সদরের খুরুশ্কুলের জাকের হোসেনের মালিকানাধীন ‘এফবি মায়ের দোয়া’ ট্রলারটি শুক্রবা দুপুর ১টার দিকে বঙ্গোপসাগরের নাজিরারটেক পয়েন্টে ডুবে যায়।
খবর পেয়ে তল্লাশি চালিয়ে ওই দিনই ট্রলারের ১৯ জন জেলের মধ্যে আটজনকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। বাকি জেলেদের উদ্ধারে তখন থেকে কোস্টগার্ড সদস্য ও জেলেরা উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন। এর মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে বিচ্ছিন্নভাবে ছয়জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ আরও পাঁচ জেলেকে উদ্ধারে তল্লাশি চলছে।
উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে মোহাম্মদ আলম (৫০) বলেন, ‘শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে বিশাল একটি ঢেউয়ে ট্রলার উল্টে যায়। এতে ট্রলারে থাকা ১৯ জেলে সাগরে ভাসতে থাকে। ১৯ জনের মধ্যে আমিসহ রাশেদ, ফরিদ, হাফেজ এই ৪ জন একটি লাইফ জ্যাকেট ধরে প্রায় ২ ঘণ্টা ভাসতে থাকি। একপর্যায়ে সাগর থেকে ফেরার পথে ২টি ট্রলার আমাদের উদ্ধার করে। এরপর ঘটনাস্থলে কোস্টগার্ড এসে দ্রুত চিকিৎসা জন্য কক্সবাজার উপকূলে নিয়ে যায়। এখন মোটামুটি সুস্থ রয়েছি৷
ট্রলারের মালিক জাকের হোসেন জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে সাগর থেকে ফেরার পথে উত্তাল ঢেউয়ের মুখে পড়ে তার মালিকানাধীন এফবি মায়ের দোয়া ফিশিং ট্রলারটি ডুবে যায়। ১৯ জেলের মধ্যে এখনও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছে। এতে নিখোঁজ জেলেদের পরিবারে আহাজারি চলছে।
জেলা বোট মালিক সমিতির সভাপতি মুজিবুর রহমান জানান, আবহাওয়া খারাপ হওয়ায় সব মাছ ধরার ট্রলার কূলে ফিরে এসেছে। শুক্রবার ফিরে আসার পথে দুঘর্টনার কবলে পড়ে কয়েকটি ট্রলার। এর মধ্যে ১৯ জন জেলেসহ একটি ট্রলার ডুবে যায়৷
-বাবু/ফাতেমা