প্রকাশ: শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২, ৬:২২ পিএম (ভিজিট : ৩৩৩)

X
টেকনাফ উপজেলার সীমান্তে বিভিন্ন বাজারে ও পৌরসভার হাট-বাজার সমূহে নামী-দামী কোম্পানির লোগো ব্যবহার করে বার্মিজ পণ্যের নামে নকল পণ্য তৈরি করে বাজারে ছেড়েছে একটি অসাধু সিন্ডিকেট। যা হাট-বাজারে আসল পণ্য কিনতে গিয়ে নকল পণ্যের খপ্পড়ে পড়তে হচ্ছে ক্রেতা সাধারণের। অভিযোগ সাধারণ জনগণের।
টেকনাফ উপজেলা ও পৌরসভার হাট-বাজার সমুহে পরিদর্শন করে দেখা যায়, পৌরসভার অলিতে গলিতে রোহিঙ্গা শরনার্থীদের দেওয়া পণ্যের নাম ভাঙ্গিয়ে বিক্রি করছে নকল কোম্পানির পণ্য। এতে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতা সাধারণ।
কয়েকজন ক্রেতা জানান, রোহিঙ্গা শরনার্থীদের উন্নতমানের কোম্পানির পণ্যগুলো এনজি ও সংস্থা বিনামূল্যে বিতরণ করে থাকে। শরনার্থীরা টাকার জন্য বেশীর ভাগ পণ্য বাজারে অর্ধেক মূল্যে বিক্রি করে থাকে। ফলে অল্প মূল্যে ভালমানের পণ্য পাওয়া যায়। যার কারণে ঐ পণ্যের প্রতি ক্রেতা সাধারণে ভীড় থাকে বেশী।
ইদানিং রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বিনা মূল্যে দেওয়া পণ্য বাইরে বিক্রি করে বিধায় সাপ্লাই কমিয়ে দিয়েছে। ফলে রোহিঙ্গাদের দেওয়া পণ্য বাজারে নাই বললেও চলে। কিন্তু এক শ্রেণির প্রতারক চক্র শরনার্থীদের দেওয়া পণ্যের নাম ভাঙ্গিয়ে নকল কোম্পানির অহরহ পণ্য প্রকাশ্যে দিবালোকে টেকনাফ পৌরসভার অলিতে গলিতে বিক্রি করে যাচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত ক্রেতা সাধারণ প্রতারিত হচ্ছে বলে এলাকার সচেতন লোকজন জানান।
এর পাশাপাশি প্রতিটি মুদির দোকান, বেকারী ও বিভিন্ন ষ্টোর সমূহে আসল পণ্যের সাথে রাখা হয়েছে নকল পণ্য। যে পণ্য আসল পণ্যের চেয়েও ঝকঝকে সুন্দর করে জোড়ানো লেবেল লাগিয়ে বিক্রি করছে।
এখানে আসল নকল পৃথক করা ক্রেতা সাধারণে পক্ষে সম্ভব হয় না। ফলে টেকনাফ উপজেলা ও পৌরসভার হাট-বাজার সমূহে আসল পণ্যের পাশাপাশি যেমনি নকল পণ্যের সমাহার তেমনি মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্যের স্তূপ।
স্থানীয় সচেতন লোকজন জানান,হাট -বাজার সমূহে নিয়মিত বাজার মনিটরিং না থাকায় এক শ্রেণির প্রতারক চক্র এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি মো. এরফানুল হক চৌধুরী বলেন,আগামীকাল থেকে এসব নকল পণ্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
-বাবু/ফাতেমা