কেন্দুয়ায় প্রায় ৪০ বছর যাবত ব্যবহারযোগ্য গ্রামীন রাস্তা হঠাৎ বন্ধ বিপাকে এলাকাবাসী

আসাদুল করিম মামুন, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)

সারাবাংলা

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ৪০ বছরের পুরোনো চলাচলের একটি রাস্তায় ইটের দেয়াল তুলে দিয়ে বন্ধ করে দেয়ার পাঁয়তারা চলছে।এ

2022-08-25T10:46:32+00:00
2022-08-25T10:46:32+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
কেন্দুয়ায় প্রায় ৪০ বছর যাবত ব্যবহারযোগ্য গ্রামীন রাস্তা হঠাৎ বন্ধ বিপাকে এলাকাবাসী
আসাদুল করিম মামুন, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২, ১০:৪৬ এএম   (ভিজিট : ২৭০)
X


নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় ৪০ বছরের পুরোনো চলাচলের একটি রাস্তায় ইটের দেয়াল তুলে দিয়ে বন্ধ করে দেয়ার পাঁয়তারা চলছে।

এ ঘটনাটি ঘটেছে কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের কালিয়ান মাইজপাড়া গ্রামে।এতে কালিয়ান গ্রামের প্রায় ৭০টি পরিবার গৃহবন্ধি হয়ে পড়ার আশংকায় রয়েছেন।

ভোক্তভোগীরা এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগকারীদের মধ্যে ফারুক ও মৃত আবু সিদ্দিকের ছেলে জিয়াউর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের এই পুরোনো রাস্তা দিয়ে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা সহ ৬০/৭০টি পরিবারের ২ শতাধিক মানুষ প্রতিদিন ওই রস্তায় চলাচল করে থাকেন। বর্তমানে রাস্তাটির মাটি কেটে দেয়াল ইটের দেয়াল তুলে বন্ধ করে দেয়ায় চলাচলের ক্ষেত্রে চরম বেকায়দায় পড়েছেন গ্রামবাসী। কেন্দুয়া আটারোবাড়ি সড়ক হতে ওই রাস্তার প্রবেশমুখে কয়েকটি কলাগাছ রোপন সহ রাস্তাটির কিছু অংশ কেটে পাশের একটি পুকুরে মেশানো হয়েছে। সরকারি ভাবে স্থাপন করা রিং কালবার্ট রাস্তা থেকে সরিয়ে অন্যত্র নেয়া হয়েছে। শুরু করা হয়েছে দেয়ালের নির্মান কাজ।

জমির মালিক তৌহিদ মিয়া জানান, রাস্তটি আমাদের ব্যক্তিগত জমির উপর দিয়ে গেছে। আমরা তিন ভাই ও ভাতিজারা আছে। এখানে আমরা বাড়ি করব। তাই ওই জায়গাটা আমাদের খুব দরকার। সেজন্যই রাস্তায় দেয়াল করছি।

গন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম কল্যান জানান, এই রাস্তাটি গ্রামের পাঁয়ে হেটে চলার পুরোনো রাস্তা।  রাস্তার মধ্যে ইটের দেয়াল না তুলতে বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু তারা নির্দেশ অমান্য করে কাজ করে যাচ্ছে।

কেন্দুয়া থানার ওসি মোঃ আলি হোসেন জানান, এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই পক্ষকেই কমিউনিটি পুলিশের আওতায়  ডাকা হয়েছে। আলোচনা করে সমাধান করতে পারলে খুবই ভালো। না হয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম বলেন, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য কেন্দুয়া থানার ওসি, গন্ডা ইউপি চেয়ারম্যান ও গন্ডা ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে মিমাংসার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যাতে জনগনের চলাচলের ক্ষেত্রে কোন বিঘ্ন সৃষ্টি না হয়।

-বাবু/শোভা






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy