প্রকাশ: রোববার, ২৮ আগস্ট, ২০২২, ৩:১১ পিএম আপডেট: ২৮.০৮.২০২২ ৩:১৫ পিএম (ভিজিট : ৬৭৬)

X
নীলফামারীর ডোমারে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নীলফামারীর মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ৮০পিছ টাপেন্টাডোল ট্যাবলেট ও আধাঁ কেজি গাজাঁ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় মো. রাজিব(২০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়।
আটক রাজিব পৌর এলাকার পূর্ব চিকনমাটি ডাঙ্গা পাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। নীলফামারীর মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. আলমগীর পাশা’র নেতৃত্বে উপ পরিদর্শক এনামুল হক, সহ উপপরিদর্শক মো. মোতালেব মৃধা ও সিপাহী রবীন্দ্র চন্দ্র নাথ অভিযানে অংশ নেয়।
রবিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় উপজেলা মোড়ে মেসার্স মা মেডিসিন কর্নারে অভিযান চালায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি অভিযানিক দল। এসময় মা মেডিসিন কর্নারের স্বত্বধিকারী পার্থ প্রতিম পালিয়ে যায়। ওই দোকানে ৮০পিছ নিষিদ্ধ পেন্টাডোল ট্যাবলেট পাওয়ায় দোকান কর্মচারী মো. রাজিবকে আটক করে অভিযানিক দলটি। একই দিনে সকাল ১১টায় পূর্ব চিকনমাটি অলিয়ার রহমানের ছেলে আরিফুজ্জামান সিন্টুর বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে শয়ন ঘর থেকে আধাঁ কেজি গাজাঁ উদ্ধার করা হয়। সে সময়ে আরিফুজ্জামানের অসুস্থ্য স্ত্রী ঘরেই ছিলেন। আরিফুজ্জামানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়ীতে না থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ওইদিন দুপুরে পরিদর্শক আনোয়ার পাশা বাদী হয়ে পৃথক ভাবে ডোমার থানায় মো. রাজিব ও পার্থ প্রতিমকে আসামী করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ও আরিফুজ্জামানের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
নীলফামারী মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আলমগীর পাশা জানান, আটক ও পলাতকদের বিরুদ্ধে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়ের করার পর আটক রাজিবকে থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।
-বাবু/শোভা