
X
নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস তাঁর আন্তরিক, দক্ষ ও চৌকস নেতৃত্বে জনসেবা প্রদানে, নেত্রকোনা জেলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও মানব সম্পদ উন্নয়নে ইতোমধ্যে প্রশংসনীয় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্ব যেন এক সুতোয় গেঁথেছে নেত্রকোণাবাসীকে।
ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিসকে বেশ আপন করে নিয়েছেন নেত্রকোনা জেলার আপামর জনসাধারণ। জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি-বেসরকারি চাকুরিজীবি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ক্রীড়াবিদ, ব্যবসায়িক, সাংবাদিকবৃন্দসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের উদ্দেশ্য যেন একটাই-পিছিয়ে পড়া সকল মানুষের জীবনমান এবং নেত্রকোনা জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস নেত্রকোনা জেলায় যোগদানের পর থেকেই তার দপ্তর থেকে জনসেবা প্রদান কার্যক্রম সহজীকরণ শুরু করেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পরই তৃণমূলের সাধারণ মানুষসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য তার সেবাদ্বার সকল সময়ের জন্য উন্মুক্ত করেছেন। কার্যালয়ে আগত সকলের কথা তাৎক্ষণিক শুনে দ্রুত সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করেন।
ফলে এই অল্প সময়েই সাধারণ মানুষের সাথে তার আত্নীক সম্পর্ক তৈরী হয়েছে বলে মনে করছেন তৃণমূলের অসহায় মানুষজন। তার নিজস্ব উদ্যোগে এ জেলায় ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ভূমিসেবা সহজীকরণ ব্যবস্হা করা হয়েছে। ই-পর্চা সফটওয়্যারে রেকর্ডীয় খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রি করে এ জেলার রেকর্ডরুম ডিজিটাল ব্যবস্হা করা হয়েছে। জেলার ওয়েব পোর্টালে সকল অর্পিত সম্পত্তির তথ্য, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের তালিকা, দেওয়ানী ও ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুন্যাল এ চলমান মামলার তথ্য, তার মাসিক কার্যক্রম, আদালত ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের তথ্য সকলের জন্য উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের ওয়েব পোর্টাল আধুনিকায়নের ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলার বিভিন্ন তথ্য ও সেবা পূর্বের চেয়ে অনেক কম সময়ে পাওয়া যাচ্ছে।
তার সুদক্ষ দিক নির্দেশনায় তিনি নেত্রকোনার ৮৬ টি ইউনিয়নে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপহার দিয়ে চলেছেন। তার চৌকস দিক নির্দেশনায় এই জেলা আরও এগিয়ে যাবে বহুদূর। জেলায় প্রথমবারের মতো ক্ষুদ্র, মাঝারি ও অনলাইন উদ্যোক্তাদের ডাটাবেইজ প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস। পর্যটনের আনন্দে, তুলশীমালার সুগন্ধে-নেত্রকোনা। এই স্লোগানে পর্যটনকে উপজীব্য করে ব্র্যান্ডিং হচ্ছে নেত্রকোনা জেলা। নেত্রকোনা জেলা ব্র্যান্ডিং করতে ইতোমধ্যে তিনি ব্র্যান্ডিং লগো সম্বলিত ব্যাগ, মগ, ক্যালেন্ডার, ফোল্ডার, খাতা ও কলমের ব্যবহার শুরু করার ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া তার উদ্যোগে স্থানীয় হোটেল-রেস্টুরেন্ট ও পরিবহনে ব্র্যান্ডিং লগোর ব্যবহার শুরু করার প্রক্রিয়াদিন।
নেত্রকোনাকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপনের জন্য জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য, পর্যটন কেন্দ্র, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিয়ে স্থিরচিত্র ও ভিডিও চিত্র নির্মাণ ও জেলার ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা প্রদর্শন ও প্রচারের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। নেত্রকোনা পর্যটন বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস। তিনি জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র জেলার দুর্গাপুর ঐতিহাসিক চিনামাটি ও কালচারাল একাডেমি ঢেলে সাজানো শুরু করেছেন। তার উদ্যোগে ইতিমধ্যে দর্শনার্থী অতীতের তুলনায় বহুগুণ বেড়েছে, যা এ এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট ভুমিকা পালন করেছে৷
নেত্রকোনা পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমান জেলা প্রশাসক অত্যন্ত যোগ্য, বন্ধুবৎসল, অমায়িক এবং নিরঅহংকারী মানুষ। যেকোন সমস্যা সমাধানে তিনি শতভাগ উদ্যোগী ও সহায়ক। জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নুরুল আমিন বলেন, নেত্রকোনাবাসী একজন খোলামেলা মনের ডিসি পেয়েছি। নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম মুখলেছুর রহমান বলেন, আমাদের বর্তমান জেলা প্রশাসক মাত্র অল্প সময়েই সবার মন জয় করেছেন। একজন গণমাধ্যকর্মীবান্ধব ডিসি তিনি। বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের জন্য নেত্রকোনাবাসী উপকৃত হচ্ছে। নেত্রকোনা জেলা পরিষদ প্রশাসক প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, বর্তমান জেলা প্রশাসক একজন জনবান্ধব জেলা প্রশাসক, অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ।
সর্বোপরি জেলার সকল মানুষের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছেন এই মানবিক জেলা প্রশাসক। এই মানবিক জেলা প্রশাসকের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল আগামী দিনের পথচলায়।
জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস বলেন, আমি সকলের সহযোগিতা চাই সকলের সহযোগিতায় এগিয়ে যেতে চাই নেত্রকোনার গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড ও সেবা পৌঁছে দিতে সার্থক হবো এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সকলের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।
-বাবু/এ.এস