প্রকাশ: শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৮:৩৮ এএম (ভিজিট : ৩১২)

X
যশোরের নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কের জামতলা এলাকা থেকে ৯ কজি ৭৫৮ গ্রাম ওজনের ৩০টি স্বর্ণের বারসহ দু’জন স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় পুলিশের সাথে গুলি বিনিময়ে অজ্ঞাত এক স্বর্ণপাচারকারী নিহত হয়।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটার দিকে একটি প্রাইভেট কারসহ যশোর ডিবি ও শার্শা থানা পুলিশের যৌথ দল তাদের আটক করে।
এলাকাবাসী ও শার্শা থানা পুলিশ জানায়, স্বর্ণ উদ্ধারের সময় পুলিশ ও পাচারকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
ওই সময় ২৫-৩০টি মোটরসাইকেলযোগে প্রায় ৫০-৬০ জন যুবক পুলিশের উপর বোমা বর্ষণ করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি এবং রাবার বুলেট ছুড়লে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ সময় হামলাকারীরা তিনটি মোটরসাইকেল ফেলে রেখে যায়। পুলিশের গুলিতে এ সময় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিহত হয়।
তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
যশোরের নাভারন সার্কেলের এএসপি জুয়েল ইমরান বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নাভারন-সাতক্ষীরা সড়কের জামতলা এলাকার পাঁচপুকুর নামক স্থানে পুলিশ অবস্থান নেয়। অভিযান চালায় যশোর ডিবি ও শার্শা থানা পুলিশের যৌথ দল। রাত আনুমানিক একটার দিকে প্রাইভেটকারযোগে স্বর্ণপাচারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে গাড়ি থামিয়ে রবিন নামের একজনের শরীরে ও গাড়ির মধ্যে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৯ কেজি ৭৫৮ গ্রাম ওজনের ৩০ পিস স্বর্ণের বার পাওয়া যায়।
স্বর্ণপাচারকারীদের ছাড়িয়ে নিতে ৩০/৪০টি মোটরসাইকেলে ৫০/৬০ জন চোরাকারবারি বোমা হামলা চালায়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়। জব্দকৃত স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৭ কোটি টাকা। স্বর্ণসহ পাচারকারীদের রাতেই শার্শা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন ছিল বলে জানান তিনি।
এএসপি জুয়েল ইমরান আরও জানান, স্বর্ণের পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় স্বর্ণ চোরাচালানের গডফাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং এ ধরনের অভিযান আরও বৃদ্ধি করা হবে। আটককৃত দুই চোরা কারবারির নাম রবিন (৩৫) ও আবুল কাশেম (৩৫)। তাদের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি সাজদিয়া এলাকায় বলে জানা গেছে।
-বাবু/এসআর