প্রকাশ: শুক্রবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৫:২২ পিএম (ভিজিট : ২৮৩)

X
ওএমএস চালে কেউ অস্বাভাবিক মুনাফা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ৷
তিনি বলেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করেছে। কাজেই এই সুবিধার সৎ ব্যবহার করতে হবে। চাল বিক্রিতে ওজন বা কোন কিছুতে ডিলাররা অনিয়ম করলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
গতকাল সকালে সম্প্রসারিত ওএমএস কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন৷
খোলা বাজারে চাল বিক্রি প্রধানমন্ত্রীর এই মহতী উদ্যোগ সফল করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করে জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ বলেন, সরকারের ন্যায্য মূল্যে (ওএমএস) এর আওতায় খোলাবাজারে খাদ্যপণ্য বিক্রি বা ওএমএস কার্যক্রম বাস্তবায়নে অসহায়-হতদরিদ্র মানুষের জন্য ভর্তুকি দিয়ে ওএমএস এর চাল খোলাবাজারে বিক্রি করছেন। যাতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা খাদ্য সংকটে না পড়ে।
জেলা প্রশাসন এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুত্রে জানা যায়, আগামী ৩ মাস পর্যন্ত ৩০টি স্থানে বিক্রি হবে ওএমএস চাল। মোট ৩০টি ডিলার প্রতিষ্ঠান রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সপ্তাহে ৫ দিন চাল বিক্রি করবে। এতে একজন দৈনিক সর্বোচ্চ ৫ কেজি করে চাল কিনতে পারবে। প্রতিদিন ২ টন করে দৈনিক ৬০ টন চাল বিক্রি করা হবে। জেলায় ১২ হাজার মানুষ প্রতিদিন এই সুবিধা পাবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নবাগত পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম বলেন, সরকারের এ কার্যক্রম সফল করতে এবং জনগনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কাজ করবে।
মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, এ সরকার জনবান্ধব সরকার। জনপ্রতি ৫ কেজি করে সপ্তাহে ৫ দিন এ চাল পাবেন। চাল যেন মানুষ পায়, কোন ধরণের অনিয়ম না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহবান জানিয়ে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জেলা প্রশাশন ও জেলা খাদ্য বিভাগের আয়োজনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রূপান্তর চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম তারিকুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাহিদ ইকবাল, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাকারিয়া, প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল ইসলাম ও পৌর কাউন্সিলর মিজানুর রহমান৷
-বাবু/এসআর