প্রকাশ: শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭:৩৮ পিএম (ভিজিট : ৩৩২)

X
মাতারবাড়ি বন্দর-কে জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে নির্মিতব্য সড়কের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে৷ অধিগ্রহনকৃত জমির প্রকৃত ভূমি মালিকদের হাতেই দেয়া হবে অধিগ্রহণের টাকা বলেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আমিন আল পারভেজ৷
তিনি ভূমি মালিদের বলেন, দয়াকরে আপনারা কেউ দালালের শরণাপন্ন হবেননা। সরাসরি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। জমির মালিকানা নিশ্চিত হলেই ক্ষতিপূরণের টাকা আপনাদের হাতেই তুলে দেয়া হবে৷
শনিবার (৩ সেপ্টম্বর) সকালে জেলা প্রশাসন আয়োজিত চিরিংগা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে জমি মালিকদের সাথে সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন৷
এডিসি আমিন আল পারভেজ বলেন, সারা দেশের মত কক্সবাজারে জেলায় ও সরকারের উন্নয়নের কার্যক্রম চলছে। তাই মাতারবাড়ি বন্দরকে কক্সবাজার চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাথে সংযুক্ত করতে সড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এডিসি বলেন, প্রথম পর্যায়ে চকরিয়ার ফাসিয়াখালি হতে বদরখালি ব্রিজ পর্যন্ত ২৪৩ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন-২০১৭ এর ৪ ধারা অনুযায়ী ভূমি মালিকদের কাছে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা স্বাক্ষরিত নোটিশও জারী করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিক যেন হয়রানির শিকার না হন সেজন্য জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
সভায় সড়ক নির্মাণের ফলে কৃষি কাজে ব্যবহৃত পানি প্রবাহে বিঘ্ন না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখার দাবী জানান কৃষকরা। একই সাথে খাস জমিতে বসবাসকারী যেন ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত না হয় বিষয়টি বিবেচনার আহ্বান জানান তারা।
সভায় কৃষকের বিভিন্ন প্রশ্ন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পরাভেজ শোনেন এবং উত্থাপিত বিষয়ে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন।
চকরিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেপি দেওয়ানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা রাবেয়া আসফার সায়মা, চকরিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত উজ জামান, চিরিংগা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জামাল চৌধুরী, ফাসিয়াখালি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিনসহ ভূমি মালিক।
-বাবু/এসআর