প্রকাশ: শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৩:৫৫ পিএম (ভিজিট : ৩৩১)

X
সম্প্রতি সময়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কনজাংটিভাইটিস রোগের প্রকোপ বা চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। শিশু সহ সবধরনের বয়সে নারী ও পুরুষরা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গ্রাম্য হাট বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ফার্মেসি গুলোতে কনজাংটি ভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগির সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়ে চলছে।
আমতলী বাজারের সজল রায় বলেন চোখ উঠা, চোখ লাল হওয়া জ্বালাপোড়া এ নিয়ে শিশু সহ নানান ধরনের বয়সের নারী পুরুষ চোখ ওঠার ঔষধের জন্য আসছে। বিভিন্ন এলাকায় ক্রমাগত ভাবেই চোখ উঠার রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। প্রতি বাড়িগুলোতে দেখা যায় পরিবারের প্রায়ই সদস্যরা চোখ ওঠার রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই ধরনের রোগীদের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো পরামর্শ দিয়ে থাকি।
এই বিযয়ে বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মাছুম কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠার রোগীর বিষয়ে দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন প্রতিনিধি কে বলেন, আমাদের উপজেলা হাসপাতালে প্রতিদিন এই রোগীর সংখ্যা বেশি আসছে। আর আমরা জরুরি ভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছি, এই রোগের লক্ষণ হলো চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া চোখের পাতা ফুলে যাওয়া ঘুম হতে উঠার পর চোখের দুই পাতা একসাথে লেগে থাকা। চোখ দিয়ে জল পড়া চোখের জ্বালাপোড়া ও চুলকানি হওয়া, চোখে হলুদ সাদা রংয়ের ময়লা জমা থাকা, আর আলোতে দেখতে খুব সমস্যা হওয়া।
যাদের কনজাংটি ভাইটিস বা চোখ ওঠেছে আর মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে তাদের ক্ষেত্রে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরামর্শ নেওয়া বিশেষ জরুরি। তবে আমাদের উপজেলাসহ সারাদেশেই এই সময়ে কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠার রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলছে। যারা এই রোগে আক্রান্ত হয়নি তাদের ক্ষেত্রে প্রাথমিক কিছু পরামর্শ আমরা দিয়ে থাকি চোখে হাত না দেওয়া, ধুলাবালি থেকে বিরত থাকা যারা এ রোগে আক্রান্ত তাদের কাছ থেকে দূরে থাকা চোখে কালো চশমা ব্যবহার করা। আর ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার প্রয়োজন। তবে এই ধরনের রোগীদের উদ্দেশ্য করে বলেন আপনারা কেউ আতংকিত হবেননা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিবেন, আর ১-৫ দিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠার এইটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ।
বাবু/জাহিদ