প্রকাশ: শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৬:০৪ পিএম আপডেট: ২৪.০৯.২০২২ ৬:১৫ পিএম (ভিজিট : ২৫৩)

X
গণপূর্ত বিভাগের শতকোটি টাকার সম্পত্তি দীর্ঘদিন অরক্ষিত পড়ে থাকায় প্রতিদিন বেদখল হচ্ছে সম্পত্তি। জানা যায়, সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন কলেজের পিছনে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে গণপূর্ত অধিদপ্তরের মালিকানায় ৩০ বিঘা জমি রয়েছে। যাহার আনুমানিক মূল্য ৯৯ কোটি টাকা।
বিভাগটি এখানে একটি সাইনবোর্ড টাঈিয়ে এখানে যে কোনো ধরনের স্থাপন নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছে। সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষনের জন্য সেখানে কাউকেই রাখা হয়নি। ফলে গণপূর্ত বিভাগের এই মূল্যবান সম্পত্তি দখল করে অনেকেই ঘর-বাড়ি খামার কিংবা দোকান-পাট নির্মাণ করেছে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধপরবতী সময়ে এখানে পিডব্লিউডি'র ইটের ভাটা ছিল।
ভাটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও কয়েক লাখ ইট এখানে সংরক্ষিত ছিল। ১০-১২ বছর আগে সে ইটগুলোও এখান থেকে গায়েব হয়ে গেছে। তখন থেকে জায়গা দখল প্রক্রিয়াও শুরু হয়। গুড়া ভাঙ্গানোর কল গরুর খামার কলার বাগান ২৫টি ঘর-বাড়ি নির্মাণ করেন। পিডব্লিউডি'র(পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট) পাবনা আফিসের সাথে যোগাযোগ করেই এসব জায়গা দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ শোনা যাচ্ছে। গণপূর্ত বিভাগ পাবনা সার্কেলের প্রকৌশলী ও ভাঙ্গুড়া উপজেলার এই সম্পত্তির তত্ত্বাবধানকারী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় কাউকেই কোন জায়গা লীজ দেওয়া হয়নি।
তবে যারা জবর দখল করেছে তাদের তালিকা আমাদের আফিসে রয়েছ। ওখানে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় ভবন নির্মাণের জন্য আপেক্ষা করা হচ্ছে। তাহলে সম্পত্তির অবৈধ দখল ঠেকাতে এতদিন কার্যকরি পদক্ষেপ দেওয়া হয়নি কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এড়িয়ে যান। নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল রহমান বলেন, সম্পত্তি জরিপ ও সীমানা নির্ধারণের জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভাঙ্গুরা উপজেলা ভূমি অফিসের আবেদন করা হয়েছে। সহকারি কমিশনার (ভূমি)বিপাশা হোসাইন বাংলাদেশ বুলিটিং কে জানান গণপূর্ত বিভাগের জমি জরিপ সংক্রান্ত কোনো আবেদন আফিসে পৌঁছেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান খান বলেন সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় গণপূর্ত বিভাগের বিধি সম্মত যে কোন উদ্যোগের তাৎক্ষণিক সহায়তা প্রদানে ভাংগুড়া প্রাশাসন প্রস্তুত রয়েছে।
বাবু/জাহিদ