প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৩:৪০ পিএম (ভিজিট : ৫৭৭)

X
ছোটবেলা থেকেই অভাব অনটনের মাঝে বেড়ে উঠা। সীমান্ত এলাকায় বসবাসের কারণে অভাবের সংসারে সহযোগিতা করতে প্রথমে শুরু করেন দু'চারটে বিয়ার এনে বাড়িতে বিক্রয় এভাবে পরিচয় হয় নানা মানুষের সাথে। আস্তে আস্তে পরিচয়ের পরিধি বাড়তে থাকে। একসময় ঝুঁকে যায় ফেন্সিডিল আর ইয়াবার দিকে আর এই ফেন্সিডিল, ইয়াবা ব্যবসায় ঝুঁকে গত ৫-৬ বছর আগে যেন পেয়ে যান আলাদিনের চেরাগ।
এরপরই তার আঙুল ফুলে কলাগাছ হতে থাকা। ইতোমধ্যে মালিক হয়েছেন বিশাল আলিশান বাড়ির। তার মালিকানাধীন রয়েছে জমিজমা। ব্যাংকে এফডিআর, স্বর্ণের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মাসিক লাভের বিত্তিতে নগদ অর্থ লগ্নি। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকারও বেশি। আর সব অর্থই তিনি উপার্জন করেছে মাদক কারবারের মাধ্যমে। বলছিলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউপির সীমান্তবর্তী গ্রাম উমেদপুরের মাদক সম্রাজ্ঞী লক্ষী বেগমের কথা।
বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে মাদক বিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে আখাউড়া-আগরতলা সড়কের নারায়নপুর বাইপাস এলাকায় তার দুই সহযোগীসহ আটক হয় লক্ষী বেগম (৩৮)। আটককৃত লক্ষী বেগমের দুই সহযোগী হলো পৌর এলাকা নারায়নপুর পশ্চিম পাড়ার হুসেন মিয়ার ছেলে তারেক মিয়া (২৮) ও একই এলাকার মিন্টু মিয়ার স্ত্রী রহিমা বেগম (৩৮)।
এসময় তাদের কাছ থেকে ৭৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৪ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, থানা পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অংগ্যজাই মারমা, জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, আখাউড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. এরশাদ।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, বুধবার ভোরে তাদেরকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। বিকেলে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার পর তাদের আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাবু/জাহিদ