প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২২, ৬:৫৪ পিএম (ভিজিট : ২৩৮)

X
সকালে সূর্যের আলোতে উজ্জীবিত সোনাগাজী উপকূলবাসী। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাব কেটে গিয়ে রোদ্য উজ্জল আকাশের দেখা মিলেছে। মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করা প্রায় ১৪ হাজার মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব কেটে গেলেও সোনাগাজী উপকূলীয় এলাকা কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষিতে ক্ষতি হয়েছে ৬৫ হেক্টর জমি। আর মৎস্য খাতে প্রায় কোটি টাকার। এছাড়াও উপজেলায় বেলা ১টা পর্যন্ত বেশিরভাগ এলাকায় রয়েছে বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সোনাগাজী উপজেলা কৃষি সূত্রে জানা যায় এবারে আবাদের লক্ষ মাত্রা ছিল ২০ হাজার ৯৭৫ হেক্টর জমি। কিন্তু এ সিত্রাং এর আঘাতে প্রায় ৬৫ হেক্টর জমিতে এনেছে। এটি লক্ষ্য মাত্রায় ব্যাপক আঘাত আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলা মৎস্য অফিসার তূর্য সাহা বলেন, সিত্রাং এর প্রভাবে নদীর জোয়ারের পানি স্বাভাবিক এর চাইতে ৩-৪ ফুট পানি উপরে ছিল। যার জন্য চর খন্দকারসহ উপজেলার ১ শ একরে ৩০টি জলাশয় থেকে প্রায় কোটি টাকার মাছের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোনাগাজী নির্বাহী অফিসার এর কার্যালয় সূত্রে জানা যায় এ পর্যন্ত প্রায় ৬০টি ঘরের সিত্রাং আঘাতে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার তথ্য জানা গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম মঞ্জুরুল হক বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রে আসা সকলেই বাড়ি ফিরে গেছেন। কোন হতাহতের ঘটনা ঘটে নি। কৃষি ও মৎস্য কিছু ক্ষতি হয়েছে। কিছু বসত ঘরের টিন নষ্ট হয়েছে। বড় কোন ঘটনা ঘটে নি।
সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, উপজেলায় বড় ধরনের কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি। সরজমিনে গত কাল থেকে আজ পর্যন্ত উপকূলীয় বাসীর সাথে ছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ম্যানেজমেন্ট সক্রিয়তার ফলে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি যার ফলে বড় কোন ক্ষতি হয়নি।
বাবু/জেএম