প্রকাশ: রোববার, ৩০ অক্টোবর, ২০২২, ৭:২৩ পিএম (ভিজিট : ২৫৭)

X
সোনাইমুড়ীতে বিধি লঙ্ঘন করে নিকাহ রেজিস্ট্রার প্যানেল প্রস্তুত করা হয়। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি গোপন রেখে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার ছাড়া গত মঙ্গলবার ২৫ অক্টোবর সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিকাহ রেজিস্ট্রার প্যানেল প্রস্তুত করা হয়। এরপর দিন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরি সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি।
জনা যায়, মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা ২০০৯ এর বিধান মোতাবেক নোয়াখালী জেলাধীন সোনাইমুড়ী উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার মৃত্যুজনিত কারণে নিকাহ রেজিস্ট্রারের পদ শূন্য হওয়ায় উক্ত শূন্য পদে লাইসেন্স প্রদানের মাধ্যমে নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের নিমিত্তে প্যানেল প্রস্তুতকল্পে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের নিকট হতে গত ১১ অক্টোবরের মধ্যে দরখাস্ত নেয়া হয়।
এতে আগ্রহী প্রার্থীরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরি সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব ও সোনাইমুড়ীর সাব-রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করেন। কিন্তু উপদেষ্টা কমিটি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে চাটখিল উপজেলার (অন্য উপজেলা) ৪নং বদলকোট ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড (হিরাপুর-নিশ্চিন্তপুর) এর মো. বেলায়েত হোসেনের ছেলে হিরাপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (হেফজু) এর আবেদন গ্রহণ করে তার নাম ২৬ অক্টোবর প্যানেলের (স্বারক নং-২১১) ক্রমিক নং ১ নাম্বারে লিপিবদ্ধ করে নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরি সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। প্যানেলের ১নং ক্রমিকধারী মো. আনোয়ার হোসেন চাটখিল উপজেলা ও থানা (অন্য উপজেলা ও থানা) ৪নং বদলকোট ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড হিরাপুর গ্রামে তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা। তার জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্মনিবন্ধন এর ঠিকানা গোপন রেখে দরখাস্তে তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা সোনাইমুড়ী থানা, সোনাইমুড়ী পৌরসভা, গ্রাম-শিমুলিয়া লিখে। যা সঠিক নয়।
ভুয়া চারিত্রিক সনদ নিজেই সৃজন করে। পৌরসভার সংশ্লিষ্ট এলাকার কাউন্সিলর কর্তৃক নাগরিকত্ব সনদ নেয়ার বিধান থাকলে সেটি দরখাস্তে যোগ করা হয়নি। নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরির (নিয়োগের) নিমিত্তে প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের তালিকায় ভুল তথ্য প্রদান করা হয়। নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স মঞ্জুরির (নিয়োগ পক্রিয়াতে) নিমিত্তে প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের তালিকায় যোগ্য প্রার্থীকে অগ্রাধিকার না দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীকে যোগ্য করে ১নং ক্রমিকধারী হিসেবে নাম লিপিবদ্ধ করা হয়। এতে করে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশংকা রয়েছে বলে মনে করে সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে কথা বলতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
বাবু/জেএম