প্রকাশ: সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২, ৪:০৬ পিএম আপডেট: ৩১.১০.২০২২ ৪:১৬ পিএম (ভিজিট : ৪৯৬)

X
কক্সবাজারের টেকনাফে সানা উল্লাহ নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার পরকীয়া প্রেমে পড়ে শিক্ষক স্বামীর ঘর ছেড়েছে হালিমা আক্তার নামে এক স্কুল শিক্ষিকা। স্বামীর ঘর ছেড়ে যাওয়ার সময় পরকীয়া আসক্ত শিক্ষিকা হালিমা নগদ দুই লাখ টাকা ও তিনভরী স্বর্ণ নিয়ে গেছেন বলে ভূক্তভোগী স্বামীর অভিযোগ।
অভিযুক্ত সানা উল্লাহ হ্নীলা মৌলভীবাজারের মৃত কলিমুল্লাহর ছেলে। সে একটি বাড়ি একটি খামার ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের টেকনাফ শাখার ব্যবস্থপকের দায়িত্বে রয়েছেন। গেল ১১ অক্টোবর এবিষয়ে ভূক্তভোগী স্কুল শিক্ষক তাজমিল উদ্দিন বাদী হয়ে সানা উল্লাহর বিরুদ্ধে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বর্তমানে বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে তদন্তাধীন রয়েছে ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে , অভিযুক্ত পরকীয়া প্রেমিক সানা উল্লাহ প্রায় সময় একটি বাড়ি একটি খামারের অফিসে হালিমা আক্তারকে নিয়ে অবৈধ মেলামেশা করে আসছে। পরে তার মোটর সাইকেলে করে হালিমা আক্তারকে নিয়ে যায়। এসব কাজ করে সরকারি অফিসের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে অভিযুক্ত সানাউল, অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। সানাউলের পরকীয়া প্রেমে পড়ে তার মোটর সাইকেলে করে হালিমা আক্তার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাফেরার একটি ভিডিও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে ।
ভিডিও দেখা যাচ্ছে,অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তা সানাউল তাজমিলের স্ত্রী হালিমাকে নিয়ে মোটর সাইকেলে করে ঘুরছে ,পেছন থেকে হালিমার স্বামী সানা উল্লাহকে লক্ষ্য করে “এই বদমাশ সানা উল্লাহ” বলে ডাক দিয়ে পেছন পেছন দৌড়াচ্ছে। ভূক্তভোগী স্বামী তাজমিল জানান,আমি হালিমা কে বিয়ে করে খুবই ভালো ছিলাম । হালিমা টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষাকতা করতো আর আমি বাহারছড়া কচ্ছপিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে চাকরিরত ছিলাম ।
দু’জনই সরকারি চাকরি করতাম। দিনকাল ভালই যাচ্ছিল। গেল ৬ মাস আগে আমার স্ত্রী হালিমা ব্যাংক কর্মকর্তা সানাউলের প্রলোভণে পড়ে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে যায়। তখন থেকে আমাদের সংসারে ফাটল শুরু হয়েছে । আমি অনেকবার সানাউল ও আমার স্ত্রীকে বারণ করেও রাখতে পারিনি। অবশেষে সানাউলের প্রলোভণের কারণে আমার সংসার ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে। আমার স্ত্রী হালিমা আমার সংসার ত্যাগ করেছে। আমি তাদের উচিৎ শাস্তি দাবি করছি। জানতে চাইলে মুঠোফোনে হালিমা আক্তার বলেন, সে কোনো টাকা পয়সা নেয়নি,পরকীয়ার বিষয়টিও সঠিক নয় বলে জানান ।
তবে সানাউলের মোটর সাইকেলে উঠার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, কোর্টে সার্টিফিকেটের একটি মামলা ছিল,কোর্টে যাওয়ার সময় স্বামী তাকে আটকানোর চেষ্টা করেছে , তাই সানাউলকে ফোন দিয়ে তার মোটর সাইকেলে করে চলে এসেছে। জানতে চাইলে মিটিংয়ে আছেন, মিটিং শেষে কথা বলবে বলে ফোনের লাইন কেটে দেন অভিযুক্ত সানাউল্লাহ। অভিযোগের বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত ইউএনও) ইরফানুল হক চৌধুরী বলেন, বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তদন্ত করছে, রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেবো।
বাবু/জেএম