প্রকাশ: রোববার, ৬ নভেম্বর, ২০২২, ৫:২৫ পিএম (ভিজিট : ৩৩৬)

X
গত ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ বুলেটিনে 'রাজের রাজত্ব সরকারি জমিতে' শিরোনামে প্রচারিত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়। এরপরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জায়গা দখল করে নির্মাণ করা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াহিদ খান রাজের সেই বহুতল ভবন অপসারণে নোটিশ পাঠিয়েছে পাউবো। রবিবার (৬ নভেম্বর) পাউবোর পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন উপবিভাগ-২ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে) শওকত ইকবাল মেহরাজের স্বাক্ষরিত উচ্ছেদ নোটিশের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
জানা গেছে, গত ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ বুলেটিন-এর অনলাইন ভার্সনে ' সরকারি জমি বেচাকেনা, রাজের রাজত্ব সরকারি জমিতে' শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের পরপরই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াহিদ খান রাজ ও তার ভাই চরমোন্তাজ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শহিদুল খানকে নির্মাণাধীন ভবন অপসারণে নোটিশ প্রদান করে পাউবো।
পাউবোর দেওয়া ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ৫৫/৪ নম্বর পোল্ডারের তফসিল বর্ণিত ভূমিতে বে-আইনিভাবে পাকা ভবন নির্মাণ করছেন। যা সরকারি জমি স্থায়ীভাবে দখলের উদ্যোগ। নোটিশ প্রাপ্তির ৭ কার্যদিবসের সময় বেঁধে দিয়ে জমির চলমান কাজ বন্ধ করাসহ অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ প্রদান করা হয় নোটিশে। আরো উল্লেখ করা হয়, ভূমির দখল ত্যাগ করতে সক্ষম না হলে অথবা অস্বীকার করলে সরকারি বিধি অনুযায়ী উচ্ছেদ করা হবে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সালেক মূহিদ বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড দাপ্তরিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমাদের যতটুকু আইনগত সহযোগিতা করা প্রয়োজন করা আমরা করবো।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করে পাউবোর পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন উপবিভাগ-২ এর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বে) শওকত ইকবাল মেহরাজ জানান, অবৈধ দুই দখলদারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারা স্বেচ্ছায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ স্লুইস বাজার থেকে পাঁচশ গজ উত্তরে বেড়িবাঁধ ঘেঁষে এই ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। ফলে বেদখল হচ্ছে সরকারের এই সম্পত্তি। সরকারি জমিতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াহিদ খান রাজ এবং তার ভাই চরমোন্তাজ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শহিদুল খান যৌথভাবে ভবনটি নির্মাণ করছিলেন।
বাবু/জেএম