প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:২৪ পিএম আপডেট: ০৩.১০.২০২৪ ৬:০৪ পিএম (ভিজিট : ২৩৮)

X
রায়পুরে দুর্গম চর ঘাসিয়া এলাকায় প্রায় ৫ মণ ওজনের একটি বিশাল কুমির ধরা পড়েছে। স্থানীয়রা কুমিরটি ধরে বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে বন বিভাগসহ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে।
চর ঘাসিয়ার বাসিন্দা শাহ আলম মাঝি বলেন, কুমিরটিকে আমার বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছে। বুধবার ভোরে আমাদের বসতবাড়িতে কুমিরটি আসে। পরে সেটি বাড়ির পাশের পুকুরে নেমে যায়। সারাদিন ওই পুকুরেই ছিল। আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।
বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে অবগত করলে তারা কুমিরটি ধরার উদ্যোগ নেন। পরে রাতে কুমিরটি আমাদের হাঁসমুরগি খেতে খোঁয়াড়ে হানা দেয়। তখন স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সেখান থেকে কুমিরটিকে ধরতে সক্ষম হই।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চরের দিকে আরও কুমির থাকতে পরে। গত এক মাস আগে থেকে লোকজন নদীতে এবং খালে কুমির দেখতে পায়। গত দুই সপ্তাহ আগে আলতাফ মাস্টারের পুরাতন মাছঘাটে বাবলু নামের এক ব্যক্তিকে একটি কুমির কামড় দেয়। তার ডান পায়ের ওপরের অংশের মাংস ছিঁড়ে নেয়। তাকে বরিশালের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় এক যুবক বলেন, ২০ দিন আগে আমি দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের খাসিয়ার চরে ঘুরতে যাই। তখন খালপাড়ে একটি কুমির দেখতে পাই। মুঠোফোনেও কুমিরের ছবি ধারণ করি। এলাকায় আরও কুমির থাকতে পারে। এজন্য মানুষ এখন নদীতে নামতে ভয় পাচ্ছে। রাতে চলাফেরাতেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
রায়পুর ফায়ার সার্ভিসের ফয়ার ফাইটার আবুল কালাম আজাদ বলেন, স্থানীয় লোকজন কুমিরটিকে আটক করে। উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে আমরা কুমিরটি উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করি।
রায়পুর উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ সহকারী মতিউর রহমান সোহাগ বলেন, বন্যার কারণে পানি বেড়ে যাওয়ায় খাবারের খোঁজে কুমির এ অঞ্চলে চলে আসতে পারে।কুমিরটিকে আমাদের হেফাজতে নিয়েছি। সেটিকে জেলা অফিসে পাঠানো হবে।