টানা কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় এবার ক্যাঙ্গারুর মতো বড় লাফ দেখা গেছে স্বর্ণের দামে। সবশেষ ভালো মানের, অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আগের দিনও ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়ানো হয়েছিল ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম।
পরপর দুই বড় লাফের পর দেশের বাজারে এখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম। আজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন এ দাম।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরেক দফা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
আজ (বৃহস্পতিবার) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাজুসের পক্ষ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে সবশেষ চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। যা ছিল দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল।