কোথা থেকে এলো সুন্নতে খতনার ধারণা

বুলেটিন ডেস্ক

ধর্ম

দখতনা সুন্নত। কোরআনে খতনার কথা না এলেও হাদিসে এসেছে। এ খতনাকে আমাদের দেশে মুসলমানি বলা হয়। খতনা ইব্রাহিম

2023-11-23T18:41:12+00:00
2023-11-23T18:41:12+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
কোথা থেকে এলো সুন্নতে খতনার ধারণা
বুলেটিন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩, ৬:৪১ পিএম   (ভিজিট : ৪৯৫)
X

দখতনা সুন্নত। কোরআনে খতনার কথা না এলেও হাদিসে এসেছে। এ খতনাকে আমাদের দেশে মুসলমানি বলা হয়। খতনা ইব্রাহিম আ.-এর জমানা থেকে চলে আসছে। এ সুন্নত আমাদের পর্যন্ত চলে আসা ইসলামের অন্যতম একটি বিধান।

আমাদের মুসলিম সমাজে এ সংস্কৃতি শত শত বছর ধরে চলে আসছে। এটি একটি মহান সুন্নাত। যুগে যুগে বড় বড় নবী-রসুলও এ সুন্নাত পালন করেছেন। সর্বপ্রথম এ সুন্নত পালন করেছেন হযরত ইবরাহিম আ.। হযরত সাইদ ইবনে মুসাইয়াব রহ. থেকে বর্ণিত, হযরত ইবরাহিম আ. হলেন খতনার সুন্নত পালনকারী সর্বপ্রথম ব্যক্তি। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা ২৬৪৬৭)

খতনা নবীদের সুন্নত। হজরত ইবরাহিম আ.-এর পর সব নবী-রসুল খতনা করিয়েছিলেন। অনেক হাদিস শরিফে এ সুন্নত পালনের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা রা. সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফিতরাত, অর্থাৎ মানুষের জন্মগত স্বভাব পাঁচটি, খতনা করা, নাভির নিম্নদেশে ক্ষুর ব্যবহার করা, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নখ কাটা ও গোঁফ খাটো করা। (বুখারি ৫৮৮৯)
 
চার মাজহাবে খতনা নিয়ে ভিন্ন মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। কেউ কেউ বলেন যে এটি সুপারিশযোগ্য, অন্যরা এটি অনুমোদিত কিন্তু বাধ্যতামূলক নয় হিসেবে আখ্যায়িত করেন, বাকিরা এটিকে আইনি বাধ্যবাধকতা হিসেবে বিবেচনা করেন। ওলামাদের মধ্যে ইসলামি আইন (শরিয়া) অনুযায়ী খতনার বাধ্যতামূলক বা অবাধ্যবাধকতা সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন মতামত রয়েছে।
 
হযরত আহমদ বিন হাম্বল (হাম্বলি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা) হযরত আবু হানিফা (হানাফি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা) মালিক ইবনে আনাস (মালিকি মাযহাবের প্রতিষ্ঠাতা)-এর মতে, খতনা করা সুন্নতে মু'আক্কাদাহ। এটি বাধ্যতামূলক নয়, তবে গুরুত্বপূর্ণ। যেখানে শাফিঈ মাযহাব এটিকে সমস্ত মুসলমানের জন্য বাধ্যতামূলক হিসেবে দেখেছে। শাফিঈ ও হাম্বলি আইনবিদদের মতে, পুরুষ ও মহিলা উভয়ের খতনা মুসলমানদের জন্য আইনত বাধ্যতামূলক।

যদিও হানাফি আইনবিদরা জন্মের সপ্তম দিনে খতনা করাকে বিশেষভাবে মুসলিম পুরুষদের জন্য সুপারিশযোগ্য বলে মনে করেন। কিছু সালাফিরা যুক্তি দিয়ে থাকেন, ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী হযরত ইব্রাহিম আ.-এর ওপর পাঠানো শরিয়ার ভিত্তিতে ধর্মীয় পরিচ্ছন্নতা প্রদানের জন্য খতনা করা প্রয়োজন, অন্যদিকে মুসলিম মহিলাদের জন্য নারী খতনার উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের যৌন আকাঙ্ক্ষা ‘নিয়ন্ত্রণ’ ও হ্রাস করা।
 
বাংলাদেশের অনেক এলাকায় শিশুদের খতনার সময় ভোজের আয়োজন করে। ইন্দোনেশিয়ায়ও খতনা করার পর ‘পেরাইয়ান সুনাতান’ নামে একটি ভোজের আয়োজন করা হয়। তুরস্কেও এটি ব্যাপকভাবে উদ্‌যাপন করা হয়। এটি ‘সুন্নেত তোরেনি’ ‘সুন্নেত মেভলুদু’ নামে পরিচিত। 





Loading...
Loading...


ধর্ম এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy