প্রকাশ: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম (ভিজিট : ৩০)

X
সড়ক সংস্কার শুরু
হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সলের নির্দেশনায় জগদীশপুর-নোয়াপাড়া আঞ্চলিক সড়কের জরুরি সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে।
জনদুর্ভোগ নিরসনে সায়হাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শিল্পপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের উদ্যোগে সোমবার সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট-সুরকি ফেলে বড় বড় গর্ত ভরাটের কাজ শুরু করা হয়।
গত কয়েক মাসের টানা বর্ষণে জগদীশপুর থেকে নোয়াপাড়া সড়কের একাধিক স্থানে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। ফলে সড়কটি দিয়ে ছোট-বড় যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। প্রতিদিন যাত্রীবাহী অটোরিকশা, টমটম, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে। বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে সংসদ সদস্যের নজরে এলে তিনি দ্রুত সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, সায়হাম গ্রুপের কর্মীরা ট্রাকে করে ইট-সুরকি এনে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ফেলছেন এবং গর্তগুলো ভরাট করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে তুলছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও জনবান্ধব পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন।
টমটম চালক হাসান মিয়া বলেন, “কয়েক মাসের বৃষ্টিতে সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। বড় বড় গর্তের কারণে গাড়ি চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। এখন এমপি সাহেবের নির্দেশে গর্ত ভরাট করায় আমরা স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছি।”
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল বাবুল বলেন, “এর আগেও এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ইট-পাথর ফেলে সাময়িক সংস্কার করা হয়েছিল। শুকনা মৌসুম শুরু হলে সংসদ সদস্য সৈয়দ মো. ফয়সলের উদ্যোগে এ সড়কসহ এলাকার আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের স্থায়ী উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা গেছে।”
মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী জানান, টানা বর্ষণের কারণে উপজেলার বিভিন্ন পাকা সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত উদ্যোগেও ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে গর্ত ভরাটের কাজ চলছে।
তিনি বলেন, “বর্তমান আবহাওয়ায় কার্পেটিং করলে তা টেকসই হবে না। তাই বর্ষা শেষে শুকনা মৌসুমে বরাদ্দ পাওয়া সড়কগুলোর স্থায়ী সংস্কার ও পুনর্নির্মাণকাজ জোরেশোরে শুরু হবে।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সাময়িক সংস্কারের পাশাপাশি দ্রুত স্থায়ী উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হলে জগদীশপুর-নোয়াপাড়া সড়কে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে এবং এলাকার মানুষের যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।