কামারখন্দে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

সারাবাংলা

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি রবি মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলায় ৩ হাজার ৫৩৬ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা

2024-02-10T14:55:27+00:00
2024-02-10T14:55:27+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
কামারখন্দে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ২:৫৫ পিএম   (ভিজিট : ১৮৮)
X

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি রবি মৌসুমে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলায় ৩ হাজার ৫৩৬ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। যা সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭৯৬ হেক্টর বেশি।

সরিষার গাছ ও আবহাওয়া ভাল থাকলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এবারে সরিষার ভাল ফলনের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় উপজেলার কৃষকরা ভাল দামের আসায় বুক বাধছেন। 

অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে,  বারি সরিষা -১৪,১৭ বীনা ৪, ৯ এবং  টরী ৭ ইত্যাদি জাতের সরিষা ৩ হাজার ৫৩৬ হেক্টর জমিতে আবাদ  করা হচ্ছে। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৭৪০ হেক্টর। লক্ষ্য মাত্র চেয়ে ৭৯৬ বেশি সরিষা আবাদ হয়েছে । চলতি বছরে উপজেলার ৪ টি ইউনিয়নে কৃষি প্রণোদনা আওতায় ১ হাজার ৭৮০ জন কৃষকে বিনামূল্যে বারি ১৪, ১৭ জাতের সরিষা বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া সরিষা আবাদ বৃদ্ধির লক্ষে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৫২ টি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন। বীজ সহায়তা ফলোআপ কার্যক্রমের আওতায় ৪৬০ জন কৃষকে প্রতি বিঘা জমি আবাদের জন্য  বীজ সহায়তা করা হয়।

কৃষক মোঃ আমিনুলে সঙ্গে  কথা বলে তিনি বলেন, সরিষা কেটে বোরো ধান লাগানো যায়। সরিষা আবাদে খরচ কম, নিড়ানি দেয়া লাগে না। এই জন্য লাভ ভালো । গত বারে চেয়ে এই বছরে ভালো ফলন হয়েছে।  প্রণোদনা হিসাবে আমরা  বীজ সার পেয়েছি।  পাশাপাশি ফলন ভালো পাওয়ার  জন্য  আমরা বোরন, দস্তা সার দিয়েছি।  প্রতিনিয়ত আমাদের  ভালো পরামর্শ দিয়ে থাকেন উপ-সহকারী কৃষি অফিসার, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে অনেক সহযোগিতা করেন।

উপজেলা কৃষি  অফিসার রতন চন্দ্র বর্মন জানান,আমাদের লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে প্রায় ৮০০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ বেশি হয়েছে।  রোপা আমন ধান কাটার পর যে সকল জমি ফেলে রেখে বোরো ধান চাষ করা হয়। সেখানে আমরা চাচ্ছি যে জমিতে রোপা আমন ও বোরো ধানে মাঝখানে একটা বোনাস ফসল হিসেবে সরিষা চাষ করা যায়।এর জন্য  আমরা কৃষকদের উৎসাহ দিচ্ছি ।

 তাহলে একটি ফসল বেশি পাচ্ছেন তারা। আমাদের এখন দরকার দুই ফসলী জমিকে তিন ফসলীতে রুপান্তরিত করা।আর এক্ষেত্রে সরিষা  আবাদ বৃদ্ধি  জন্য  কৃষকদের  প্রণোদনা  কর্মসূচি আওতায়  বীজ ও সার  দিয়েছি। বিভিন্ন  প্রদর্শনী  বাস্তবায়িত হয়েছে। বারি সরিষা-১৪  আবাদে ফলন ও তৈলের পরিমাণ বেশি।

রোপা আমন ধানে যে পরিমাণ  সার ব্যবহার করা হয়  তার কিছু সার মাটিতে রয়ে যায় ফলে সরিষা চাষে সার কম লাগে। সরিষার পাতা মাটিতে ঝরে পড়ে জৈবসার তৈরি করে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।আমাদের সবচেয়ে বেশি দরকার ভোজ্য তেল। সয়াবিনের তুলনায় সরিষার তেল স্বাস্থ্যসম্মত।সরিষার তেল সয়াবিন তেলের চেয়ে বরং পরিমাণে কম লাগে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy