সাবেক গভর্নর ড. আতিউরসহ ২৫জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    
শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১০ মাঘ ১৪৩২
শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
সাবেক গভর্নর ড. আতিউরসহ ২৫জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:১১ PM আপডেট: ২০.০১.২০২৬ ২:০৮ PM (Visit: 456)

অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই পরোয়ানা জারি করেন।

আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পিপি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারাকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে দাখিল করা চার্জশিট আমলে নিয়ে আদালত ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত আগামী ৪ মার্চ গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন।

অন্য যাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, তারা হলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, আর এম দেবনাথ, মো. আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র নাথ।

এ ছাড়া জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবদুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এজিএম অজয় কুমার ঘোষ, সাবেক ম্যানেজার (শিল্প ঋণ-১) মো. গোলাম আজম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, এসইও মো. এমদাদুল হক, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল জব্বার, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও ওমর ফারুক, অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল, মেসার্স সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও পরিচালক মো. আবু তালহা।

মামলার শুনানির সময় ড. বারাকাতকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। আবুল বারাকাতের পক্ষে তার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করেন বিচারক।

গত বছরের ২০ অক্টোবর ড. বারাকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক পিএলসির ভবন শাখা থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যা সুদ-আসলে প্রায় ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। যদিও এজাহারে আত্মসাতের পরিমাণ ছিল ২৯৭ কোটি ৩৮ লাখ ৮৭ হাজার ২৯৬ টাকা।

আসামিদের বিরুদ্ধে ঋণের অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে জালজালিয়াতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।







  সর্বশেষ সংবাদ  


  সর্বাধিক পঠিত  


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক:
মো. আশরাফ আলী
কর্তৃক এইচবি টাওয়ার (লেভেল ৫), রোড-২৩, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২।
মোবাইল : ০১৮৪১০১১৯৪৭, ০১৪০৪-৪০৮০৫৫, ই-মেইল : thebdbulletin@gmail.com.
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy