বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পুরোদমে চলছে বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। স্থানীয় কৃষকদের ধারনা,

2024-04-28T13:24:36+00:00
2024-04-28T13:24:36+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪, ১:২৪ পিএম   (ভিজিট : ৩১৫)
X

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পুরোদমে চলছে বোরো ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। স্থানীয় কৃষকদের ধারনা, এবছর বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে। এসময় কৃষককেরা ধান মাড়াইয়ে জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।শ্রমিক সংকট থাকলেও দামে খুশি কৃষক। 

চলতি মৌসুমে এউপজেলার কৃষকেরা রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে হালচাষ দিয়ে বোরো ধান আবাদ করেন। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ফলে কৃষকরা জমিতে সঠিক সময় পর্যাপ্ত পানি পেয়েছে। এছাড়া কৃষি অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে থেকে কৃষকদের সব রকম পরামর্শ প্রদান, পর্যাপ্ত সার পাওয়ায় এবার কোনকিছুতেই কৃষকদের বেগ পেতে হয়নি। তাছাড়া এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সর্বত্রই বোরো ধানের ভালো ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি ইরি-বোরো মৌসূমে পৌর শহরসহ উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়নে  ২০হাজার ৭শত ১৫হেক্টর জমিতে বোরো ধানের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। আর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১লাখ মেট্রিক টন ধান। এ উপজেলায় বি-আর ২৮, বি-আর ২৯, হীরা , হাইব্রিড ৭৫, ৮১, ৯১,সবুজ সাথী, এসএলএইডএইচ, জাগরনীসহ বিভিন্ন প্রজাতির উচ্চ ফলনশীল ধান চাষ করা হয়। এদিকে হঠাৎ কিছু কিছু এলাকায় বিআর ২৮,২৯,ধানে ব্লাস্ট রোগ দেখা দিলেও কৃষি বিভাগ খুবই তৎপর ছিল রোগবালাই আক্রান্ত থেকে ফসল রক্ষা করতে। কৃষকদের উদাসিনতায় কিছু জমি ক্ষতি হলেও, এরপরও কৃষকরা বাম্পার ফলনের আশা করছেন।

সরেজমিনে রবিবার  (২৮ এপ্রিল) সকালে মোজাফফরপুর ইউনিয়নের কৃষক রাসেল মিল্কীর সাথে কথা হলে তিনি জানান , রোদ বৃষ্টি ভিজে দিন রাত পরিশ্রম করে এ মৌসুমে ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধান আবাদ করা হয়। সময় মতো পানি, বীজ, সার পাওয়ায় ও সঠিকভাবে জমির পরিচর্যা করায় ধানের ফলন ভালো ফলন হয়। ২ বিঘা জমির ধান কাটা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাকী ধান কাটা শেষ হবে।প্রতি মন ধান বিক্রি হচ্ছে সারে নয় শত থেকে এক হাজার টাকা। এই দামে আমরা খুবই খুশি।

কেন্দুয়া উপজেলা  কৃষি কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা বলেন, মৌসুমের শুরুতে সরকারিভাবে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এ উপজেলায় ৯ হাজার ৩ শত কৃষককে  উফসী ধানের বীজ,  ডিএপি সার ও এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। ফলন বৃদ্ধিতে মাঠপর্যায়ে থেকে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ প্রদান করা হয়।আজ পর্যন্ত হাওর এলাকায় পঞ্চাশ ভাগের বেশি ধান কাটা হয়েছে। উপজেলার হাওর এলাকার ইউনিয়ন সমূহের কিছু বোরো ধানের জমিতে ব্লাষ্ট রোগ আক্রমণে কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার উপজেলার সর্বত্রই বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি জানান।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy