আখাউড়ায় নারীকে ডেকে নিয়ে গণ ধর্ষণের পর হত্যা

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

আখাউড়ায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী মর্জিনা বেগম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইউনিট। গতকাল বুধবার আখাউড়া থানায় দায়ের করা মামলা নং-২৩ এর ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পিবিআই।

2025-11-27T20:07:28+00:00
2025-11-28T00:15:02+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
আখাউড়ায় নারীকে ডেকে নিয়ে গণ ধর্ষণের পর হত্যা
আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:০৭ পিএম  আপডেট: ২৮.১১.২০২৫ ১২:১৫ এএম  (ভিজিট : ৪৬৪)
X

আখাউড়ায় পরিচ্ছন্নতাকর্মী মর্জিনা বেগম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইউনিট।

গতকাল বুধবার আখাউড়া থানায় দায়ের করা মামলা নং-২৩ এর ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পিবিআই।

মামলার বাদী নিহতের মেয়ে রহিমা আক্তার জানান, তার মা মর্জিনা বেগম (৪৫) আখাউড়া সড়কবাজারে শ্রমিক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন এবং সন্ধ্যায় পিঠা বিক্রি করতেন। অন্ধ স্বামীকে নিয়ে তিনি দেবগ্রামের নয়াবাজার এলাকায় বাস করতেন।

গত ২৫ নভেম্বর ভোররাত ৩টার দিকে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হন মর্জিনা বেগম। পরদিন সকালেও তিনি বাসায় না ফেরায় সন্ধ্যায় সবজি আড়ত থেকে খবর পান পৌরসভার পুরোনো ভবনের পাশে এক নারীর মরদেহ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মায়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। গলায় আঘাতের চিহ্ন ও শরীরে ময়লার দাগ ছিল।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোস্তফা কামালের নির্দেশনায় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইনচার্জ পুলিশ সুপার শচীন চাকমার তত্ত্বাবধানে তদন্ত পরিচালনা করেন এসআই মো. আল-আমিন। 

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়—কাঁচাবাজারের দারোয়ান শহিদুল ইসলাম (৪৩) নিজের মোবাইল ফোন থেকে ‘মালের গাড়ি এসেছে’ বলে মর্জিনাকে ফোন দিয়ে ডেকে নেন। ফোন করার মাত্র ১৪ মিনিট পর রাত ৩টা ১৮ মিনিটে তাকে কাঁচাবাজার এলাকায় যেতে দেখা যায়।

তদন্তে আরও বেরিয়ে আসে, ঘটনাস্থলে শহিদুল প্রথমে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করে। এরপর তার সহযোগী হোসেন ওরফে শফিক (৪০) এবং রুমান মিয়া (২৪) ধর্ষণের চেষ্টা করলে মর্জিনা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনজন মিলে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। হোসেন ভুক্তভোগীর গলা চেপে ধরে, শহিদুল দুই হাত চেপে রাখে এবং রুমান দুই পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তারা মরদেহ ফেলে দ্রুত সরে যায়।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল বুধবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে আখাউড়া সড়ক বাজারের কাঁচাবাজার এলাকা থেকে শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে আখাউড়ার মসজিদপাড়া এলাকার ভাড়া বাসা থেকে হোসেন ও রুমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।




  বিষয়:   আখাউড়া  গণ ধর্ষণ  ধর্ষণ  মর্জিনা বেগম 



Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy