কলমাকান্দায় সেনাবাহিনীর লেন্স নায়েক পরিচয়ে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা উত্তোলন

রীনা হায়াৎ, কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের মোঃ আমজাদ হোসেনের নামে ৩১ শে আগস্ট বৃহঃপ্রতিবার এক ভূয়া

2022-09-07T15:16:32+00:00
2022-09-07T15:16:32+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
কলমাকান্দায় সেনাবাহিনীর লেন্স নায়েক পরিচয়ে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা উত্তোলন
রীনা হায়াৎ, কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৩:১৬ পিএম   (ভিজিট : ৩২৯)
X

নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্রামের মোঃ আমজাদ হোসেনের নামে ৩১ শে আগস্ট বৃহঃপ্রতিবার এক ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে কলমাকান্দা উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তিনি কোন তালিকাভূক্ত নন, এবং সরকারি কোন চাকুরীজীবিও ছিলেন না, ভারতীয় কোন মুক্তিবার্তা নাম্বারও নেই।

এ নিয়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মনে সংশয় জাগে, তিনি কি করে সেনাবাহিনীর লেন্স নায়েক পরিচয়ে মুক্তিযোদ্ধা সেজে সম্মানীভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছেন?

বিষয়টি গভীর রহস্যজনক মনে হলে উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোঃ নুরুল ইসলাম একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর, বর্তমানে অভিযোগটি সমাজসেবা অধিদপ্তরে তদন্তাধীন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনার্থে তারই অনুলিপি প্রেরন করা হয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়, আর্মি হেড কোয়াটার, দূর্নীতি দমন কমিশন ও জেলা প্রশাসক বরাবরে।

এ বিষয়ে কলমাকান্দা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বীর মুক্তিযোদ্ধা এমদাদুল হক তাং, মজিবুর রহমান লালমিয়া ও বিকাশ চন্দ্র ভৌমিক  সাথে কথা হলে তারা জানান, একজন সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধার MIS উপজেলা থেকে করা হয়, কিন্তু তিনি সবকিছু মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর নাম্বার দিয়ে (৩৫০৩৬০১০২৫৬৩১) হিসাব নম্বর থেকে ভাতা উত্তোলন করছে, যাহা কলমাকান্দা সোনালী ব্যাংক শাখার স্টেটমেন্ট অফ এ্যাকাউন্ট প্রমাণ করে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার কাগজ পত্রাদি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তাহার নিজ নাম ব্যতীত, পিতা-মাতার নাম এবং ঠিকানা কিছুই নেই। হয়তো আমজাদ হোসেন নামে কোন সেনাবাহিনীর লোক ছিল বিধায় তাহার নাম ধারন করে প্রতারণার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সেজে ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছেন।

অভিযুক্তকারী মোঃ আমজাদ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমি ৭১ মুক্তিযোদ্ধা। আমার কাগজ পত্রাদি ভুয়া হলে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় বাতিল করবে, যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তাদের এখতিয়ার নেই বাতিল করার। কবে থেকে সম্মানীভাতা চালু হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কিছুদিন হয়। আরো আগেই তো চালু করতে পারতেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- আমি বাদ পড়ে গিয়েছিলাম তাই একটু দেরি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ আবুল হাসেম জানান, অভিযোগ পেয়েছি, সমাজসেবা আওতায় তদন্তাধীন আছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

-বাবু/এ.এস






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy