রাঙ্গাবালীর খালে জাহাজ বিধ্বংসী ‘টর্পেডো’

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

সারাবাংলা

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর একটি খালেজাহাজ বিধ্বংসী‘টর্পেডো’ সদৃশ বস্তু ভেসে এসেছে। রোববার সকালে উপজেলার মৌডুবি ইউনিয়নের মীরকান্দা গ্রাম সংলগ্ন ভাঙা

2024-04-28T17:06:43+00:00
2024-04-28T17:35:04+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
রাঙ্গাবালীর খালে জাহাজ বিধ্বংসী ‘টর্পেডো’
পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪, ৫:০৬ পিএম  আপডেট: ২৮.০৪.২০২৪ ৫:৩৫ পিএম  (ভিজিট : ২৯৫)
X

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর একটি খালে জাহাজ বিধ্বংসী ‘টর্পেডো’ সদৃশ বস্তু ভেসে এসেছে। রোববার সকালে উপজেলার মৌডুবি ইউনিয়নের মীরকান্দা গ্রাম সংলগ্ন ভাঙা খালে বস্তুটিকে দেখতে পায় গ্রামবাসী। ভাসমান ওই বস্তুটি দেখতে ভিড় করে স্থানীয় লোকজন। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাছ থেকে বস্তুটি দেখে ভারী কোন অস্ত্র ভেবে এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। খবর পেয়ে রোববার দুপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। বস্তুটির কাছ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় লোকজনদের। অন্যত্র যাতে ভেসে না যায়, এজন্য রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয় বস্তুটিকে।

মূলতঃ টর্পেডো হচ্ছে এক ধরনের স্ব-চালিত অস্ত্র, যা পানির নিচে বিস্ফোরক ওয়ারহেড বহন করে এবং লক্ষ্যবস্তুর সংস্পর্শে বা কাছাকাছি আসার পর বিস্ফোরিত হতে পারে। এটি পানির নিচে চলে এবং পানির নিচে বা ওপরে উভয় স্থান হতে নিক্ষেপ করা যায়। 
মীরকান্দা গ্রামের সোহেল রানা বলেন, ‘বস্তুটি দেখতে ভারী কোন অস্ত্রের মতো, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ থেকে ২৫ ফুট।’  গ্রামবাসীর ধারণা, পার্শ্ববর্তী রাবনাবাদ চ্যানেল হয়ে হয়তো এটি ভাসতে ভাসতে এই খালে এসেছে।

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, কোস্টগার্ডকে বিষয়টি অবহিত করা হলে ছবি দেখে তারা প্রাথমিকভাবে জানায়- এটি টর্পেডো হতে পারে। টর্পেডো ডুবন্ত থাকে, যেহেতু এটি ভেসে আসছে, তাই সম্ভবত ব্যবহৃত। তবুও ঘটনাস্থলে গিয়ে কোস্টগার্ড বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
কোস্টগার্ড রাঙ্গাবালী আউটপোস্টের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, তাদের  আন্ধারমানিক নদীর টিমটি ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। যতটুকু দেখে বোঝা যাচ্ছে, ওটা টর্পেডো হতে পারে, মিসাইল না। টর্পেডোর মাঝখানে যেভাবে জোড়া থাকে, ওটারও আছে। যেকোনো বড় জাহাজ ধ্বংসকে করে দেওয়ার কাজে টর্পেডো ব্যবহার হয়। এটা নৌবাহিনীর কাছে আছে।

তিনি আরও জানান, টর্পেডো অনেক ভারী থাকে এবং সাধারণত পানির নিচে থাকে। যেহেতু এটি ভেসে আসছে, সুতরাং ব্যবহার হয়েছে কিংবা ড্যামেজ হয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। তাই পানিতে ভেসে ভেসে আসছে। তবে যদি ভেতরে কোন বাতাস থাকে তাহলে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এজন্য বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট গিয়ে ওটা পরীক্ষা করে দেখতে পারে।
 





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy